নিজস্ব প্রতিনিধি: নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগেই তপ্ত বাংলার রাজনীতি। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে স্ট্রংরুমে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। স্ট্রংরুমের ভিতরে 'সন্দেহজনক গতিবিধির' অভিযোগ তুলে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের গেটের বাইরে অবস্থানে বসেছিলেন তৃণমূলের দুই প্রার্থী, কুণাল ঘোষ এবং শশী পাঁজা।
বৃহস্পতিবারের পর শনিবার (২ মে) সকালে সেখানে ফের পৌঁছে যান শশী পাঁজা। এদিন শ্যামপুকুরের তৃণমূল প্রার্থীকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে।
জানা গিয়েছে, এদিন সকাল ১১টা নাগাদ শশী পাঁজাকে দেখা যায় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের দিকে হেঁটে যেতে। সেখানেই প্রথমে তাঁকে আটকে দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরে তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়। এদিকে, ফের নতুন করে অভিযোগ উঠেছে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে এমন একটি ঘরে ৮টি ইভিএম রাখা হয়েছে, যা সিসিটিভি নজরদারির মধ্যে পড়ে না। যা নিয়ে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনে।
২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় বাংলায় ভোটাভুটি ছিল। ভোটগ্রহণ পর্ব শেষে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে রাখা হয়েছে ইভিএম। ‘কারচুপি’ অভিযোগ তুলে প্রতিবাদে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থান বিক্ষোভে কুণাল ঘোষ এবং শশী পাঁজা। তারপর বৃহস্পতিবার রাতেই সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় চার ঘণ্টা সেখানে ছিলেন তিনি। আগামী সোমবার অর্থাৎ ৪ মে সকাল 8টা থেকে শুরু হবে বহু প্রতীক্ষিত ভোটগণনা। তার আগে যেকোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা অশান্তি এড়াতে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র-সহ রাজ্যের বিভিন্ন স্ট্রংরুমের বাইরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

