Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
ক্যাম্পের খাটের নিচে লুকিয়ে বারুইপুর কাণ্ডে ৩ অভিযুক্ত, বের করে থানায় নিয়ে গেল পুলিশ

ক্যাম্পের খাটের নিচে লুকিয়ে বারুইপুর কাণ্ডে ৩ অভিযুক্ত, বের করে থানায় নিয়ে গেল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় গ্রেফতার প্রধান অভিযুক্ত-সহ ৫ জন। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে প্রধান অভিযুক্ত আনন্দ সর্দারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যাঁর সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজে নির্যাতিতা নাবালিকাকে দেখা গিয়েছিল। জানা যায়, গতকাল রাতে হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পে লুকিয়ে থাকা ৩ অভিযুক্তকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বারুইপুর থানায়।

যেখানে উপস্থিত ছিলেন বারুইপুর প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের আইজি কঙ্কর প্রসাদ। প্রাথমিকভাবে পুলিশ জেনেছিল, বারুইপুর কাণ্ডে মোট পাঁচজন যুক্ত রয়েছে, আর ওই পাঁচজনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে বারুইপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত আনন্দ সর্দারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনায় রবিবার ১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। একই দিনে রাতভর তল্লাশি চালিয়ে আর একজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এই ঘটনায় আরও তিনজনকে আটক করেছিল পুলিশ।

এদিকে বারুইপুরে আজ, মঙ্গলবার সকালেই মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের নেতৃত্বে বিজেপির প্রতিনিধিদল বারুইপুরে পৌঁছেছেন। তাঁরা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন। ইতিমধ্যেই গতকাল ওই এলাকায় জারি করা ১৬৩ ধারা অব্যাহত রয়েছে। এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। এছাড়া আজ বারুইপুরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে দেখা করবেন। পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। যদিও আগেই দোষীদের রেয়াত করা হবে না, সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই ঘটনায় ছয় সদস্যের SIT গঠন করা হয়েছে। এবং জাতীয় মহিলা কমিশন (NCW) স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ নিয়েছে।

চারটি মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বারুইপুর থানার ধপধপি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের সূর্যপুর হাট এলাকার বাসিন্দা ছিল ওই নাবালিকা। শনিবার বিকেল ৪ টে নাগাদ খাবার কিনতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল সে। দীর্ঘক্ষণ বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তাঁকে। অবশেষে রবিবার (৫ জুলাই) সকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি পুকুরে ওই নাবালিকার দেহ ভাসতে দেখা যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। পরিবারের অভিযোগ, তাঁদের মেয়েকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। এই নিয়েই দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে নাবালিকাকে খুনের আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল কি না, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকেই তা জানতে পারবে পুলিশ।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte