Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
লাগাতার বৃষ্টিতে বিপর্যয়ের আশঙ্কা! খনি এলাকায় ধস, হু হু করে বাড়ছে ডিভিসির জল

লাগাতার বৃষ্টিতে বিপর্যয়ের আশঙ্কা! খনি এলাকায় ধস, হু হু করে বাড়ছে ডিভিসির জল

নিজস্ব প্রতিনিধি: টানা বৃষ্টিতে একদিকে বাড়ছে নদী-জলাধারের জলস্তর, অন্যদিকে খনি এলাকায় দেখা দিচ্ছে ধস। ঝাড়খণ্ড ও দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে লাগাতার বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে বাড়ানো হয়েছে জল ছাড়ার পরিমাণ। সেই জল দামোদর নদ হয়ে পৌঁছচ্ছে দুর্গাপুর ব্যারেজে।

ফলে নিম্ন দামোদর এলাকার বিস্তীর্ণ অংশে প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ডিভিসি সূত্রে খবর, মাইথন জলাধারে বর্তমানে জলস্তর রয়েছে ৪৮৪.২৫ ফুট। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখান থেকে গড়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৬ হাজার ৪২৫ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। পাঞ্চেত জলাধারে জলস্তর দাঁড়িয়েছে ৪১৪.১১ ফুট। এই জলাধার থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় গড়ে প্রায় ৪৪ হাজার ৩৭০ কিউসেক হারে জল বের করা হয়েছে। অর্থাৎ, দুই জলাধার মিলিয়ে বর্তমানে গড়ে প্রায় ৫০ হাজার ৭৯৫ কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। ঝাড়খণ্ড এবং পশ্চিমবঙ্গে একটানা বৃষ্টির কারণে দামোদর নদেও দ্রুত বাড়ছে জল। মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে পর্যায়ক্রমে জল ছাড়ার ফলে সেই জল এসে জমা হচ্ছে দুর্গাপুর ব্যারেজে। বুধবার সকাল পর্যন্ত ব্যারেজ থেকে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯৭ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছে।

সেচ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃষ্টির তীব্রতা আরও বাড়লে জল ছাড়ার পরিমাণও বাড়তে পারে। আর ব্যারেজ থেকে বেশি জল ছাড়া হলে নিম্ন দামোদর উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় জল ঢোকার আশঙ্কা তৈরি হবে। ইতিমধ্যেই লাগাতার বৃষ্টির জেরে আসানসোলের বিস্তীর্ণ অংশ জলমগ্ন। এর প্রভাব পড়েছে জাতীয় সড়কের যান চলাচলেও। জলমগ্ন পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে। হরিপুরের ৭ ও ৯ নম্বর পিট সংলগ্ন এলাকায় হঠাৎ মাটি বসে ধস নামে। খনি আবাসনের কাছাকাছি এই ঘটনা ঘটায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ধসের জায়গায় তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক দিন ধরে এলাকায় লাগাতার বৃষ্টি হচ্ছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণেই মাটি আলগা হয়ে আচমকা ধস নেমেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। বিজেপি যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্র কুমার যাদবের অভিযোগ, খনি কর্তৃপক্ষের পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকার কারণেই পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে। তাঁর দাবি, ধসের ঘটনায় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। দ্রুত জায়গাটি সংস্কারের পাশাপাশি গোটা এলাকায় নিয়মিত নজরদারি চালানোরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte