নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নবদ্বীপের গৌরাঙ্গ সেতু সংলগ্ন এলাকায় এক রাতে ঘটে গেল দুটি বড় ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন এক যুবক ও তরুণী মোটরসাইকেলে করে গৌরাঙ্গ সেতু এলাকায় ঘুরতে এসেছিলেন। সেতুর পাশে দাঁড়িয়ে চা খাওয়ার সময় কৃষ্ণনগরগামী একটি দ্রুতগতির ১৬ চাকার বালিবোঝাই লরি তাঁদের মোটরসাইকেলকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে।
সেই সময় লরির ধাক্কায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, চালক যুবক রাস্তার একপাশে ছিটকে পড়লেও তরুণী সরাসরি চলন্ত লরির তলায় চলে যান। স্থানীয়রা চিৎকার করে লরিটিকে থামানোর চেষ্টা করলেও ততক্ষণে দেরি হয়ে যায়। পরপর কয়েকটি চাকা তাঁর শরীরের উপর দিয়ে চলে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তরুণীর। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম মধুমিতা হালদার (২৫)। তিনি নবদ্বীপের বাসিন্দা। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গৌরাঙ্গ সেতু থেকে নামার মুখে কোনও স্পিড ব্রেকার বা বাম্পার না থাকায় প্রায়ই দ্রুতগতিতে যান চলাচল করে এবং বারবার দুর্ঘটনা ঘটে। তাই অবিলম্বে সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি উঠেছে।
আরও পড়ুনঃশোয়েব আখতারের পরিবারে বড় ক্ষতি, দাদাকে হারিয়ে ভেঙে পড়লেন পাক-ক্রিকেটার
এদিকে, এই ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই একই এলাকার কেশবজী গৌড়ীয় মঠ সংলগ্ন গৌরাঙ্গ সেতু রোডে অভিযান চালিয়ে ১২৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে নবদ্বীপ থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে একটি লরি ও তার সঙ্গে চলা একটি স্করপিও গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তুষের বস্তার আড়ালে লুকিয়ে রাখা ছিল বিপুল পরিমাণ গাঁজা। ঘটনায় মোট সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওড়িশা থেকে আসা লরিটি নদিয়ার নাজিরপুরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। আন্তঃরাজ্য পাচারচক্রের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আটক করা হয়েছে লরি ও স্করপিও গাড়িটিকেও।

