আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কোটা বিরোধী আন্দোলনের জেরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গদিচ্যুত হয়েছিলেন শেখ হাসিনা। পতন হয়েছিল আওয়ামী লিগের। আজ, বুধবার আরও এক ৫ আগস্ট। ক্ষমতা হারানোর ঠিক দুবছর বাদে প্রকাশ্যে এসে সাংবাদিক সম্মেলন করছেন মুজিবকন্যা। দিল্লিতে ভার্চুয়ালি সেই সাংবাদিক বৈঠকে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।
তার আগে বক্তব্য রাখেন হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। আমেরিকা থেকে ভার্চুয়ালি সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দেন তিনি।
আর বক্তব্য রাখতে গিয়েই বিস্ফোরক দাবি করেছেন হাসিনাপুত্র। জয়ের দাবি, ‘মা (শেখ হাসিনা) চলে আসার পর বাংলাদেশ একটা ব্যর্থ রাষ্ট্র পরিণত হয়েছে। দ্বিতীয় পাকিস্তানে পরিণত হয়েছে। যা ভারতের কাছে মাথাব্য়থার কারণ। যেখানে জঙ্গিদের জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। তাদের পাসপোর্ট দিয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন খুন, অরাজকতা চলছে। সাংবাদিকদের খুন করা হচ্ছে। আওয়ামী লিগের নেতাদের খুঁজে খুঁজে বের করে খুন করা হচ্ছে। কোনও আইনের শাসন নেই বর্তমান বাংলাদেশে। হত্যাকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। কোনও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে না। ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর থেকে বাংলাদেশের সরকার রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দিয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বিক্ষোভের সময় প্রাণহানির সংখ্যার কথা আপনারা শুনেছেন। রাষ্ট্রসঙ্ঘ নিহতের সংখ্যা ১,৪০০ বলে উল্লেখ করেছিল। যেখানে সরকারের দাবি এই সংখ্যা ৮০০। তাহলে অতিরিক্ত ৬০০ জন কারা?’
আরও পডুন: ভারতে নিষিদ্ধ হচ্ছে ফেসবুক-ইনস্টা? 'Algorithm' নিয়ে তদন্তের নির্দেশ
তাঁর আরও দাবি, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে এবং খুব শীঘ্রই এটি একটি নীতিহীন রাষ্ট্রে পরিণত হবে। মুহাম্মদ ইউনূসের জমানা থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতি দুর্বল হতে শুরু করে, এখনও সেটা একইভাবে চলছে।’ এদিন নিজের বক্তব্যে মুহাম্মদ ইউনূস থেকে শুরু করে বর্তমান বাংলাদেশের বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন জয়।

