Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধ, ইরানের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা শুরু মার্কিন সেনার

মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধ, ইরানের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা শুরু মার্কিন সেনার

ন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি সত্যিই সোনার পাথরবাটিতে পরিণত হয়েছে। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সঙ্ঘাত থামার কোনও লক্ষণ নেই। বরং তা তীব্রতর হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। গতকাল সোমবার (৩১ অগস্ট) মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্প। আর ওই হামলার বদলা নিতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পের ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাতে শুরু করেছে মার্কিন সেনা।

'এক্স' (X)-এ দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে যে, ভারতীয় সময় রাত ৯টা ৩০ মিনিটে মার্কিন বাহিনী ইরানের অভ্যন্তরে আইআরজিসি-র বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু করেছে। যদিও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

সমাজমাধ্যম 'এক্স' হ্যান্ডলে এক পোস্টে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড লিখেছে, 'আজ দুপুর ১২টায় (ইস্টার্ন টাইম) মার্কিন বাহিনী ইরানের অভ্যন্তরে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা শুরু করেছে। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর এবং ওই অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন সামরিক সদস্যদের লক্ষ্য করে আইআরজিসি-র সাম্প্রতিক হামলার চেষ্টার পরিপ্রেক্ষিতেই এই হামলা চালানো হচ্ছে।'

গোপন ডেরা থেকে গত রবিবার (৩০ অগস্ট) মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছে এক চিঠি পাঠিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। ওই চিঠিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলকে নিশানা করে তিনি লিখেছেন, 'ইসলামের শত্রুরা (পড়ুন আমেরিকা ও ইজরায়েল) মুসলিম দেশগুলোর জাতিগত, সাংস্কৃতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক পার্থক্যকে কাজে লাগিয়ে বিভেদ সৃষ্টি করতে চায়। মুসলিম বিশ্বের আড়াআড়ি বিভাজন ও দুর্বল হওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে তারা, যাতে উপযুক্ত সময়ে মুসলিম দেশগুলোর ওপর নিজেদের প্রভাব ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারে।'

মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে পারে, এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানানোর পাশাপাশি মোজতবা খামেনি প্রশ্ন তুলেছেন-মুসলিমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকত, তাহলে প্যালেস্তানিয়রা কি এতটা অসহায় হয়ে দখলদারদের নির্যাতন ও অপরাধের শিকার হতো? ইসলামি দেশগুলোর বিভেদের সুযোগ নিয়ে আমেরিকা দাদাগিরি চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা লিখেছেন, 'মুসলিম দেশগুলো ইসলামি ঐক্যের ছাতার নিচে একজোট হলে হাজার হাজার কিলোমিটার দূরের কোনও শক্তির পক্ষে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূমি ও সম্পদের দিকে লোলুপ দৃষ্টি দেওয়ার সাহস হতো না। মুসলিম দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের প্রকৃত শত্রুকে চিহ্নিত করতে হবে, শত্রুর পরিকল্পনা বুঝতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে।'

খামেনির চিঠি পাঠানোর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই মুসলিম দেশ সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে থাকা মার্কিন ডেরা লক্ষ্য করে হামলা চালাল ইরানের সেনাবাহিনী। সোমবার (৩১ অগস্ট) ইরানের সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়, 'আমিরশাহির আল মিনহাদ ঘাঁটি বিদেশি বাহিনীর অন্যতম প্রধান লজিস্টিক ও বিমান পরিবহন কেন্দ্র। মার্কিন অবস্থানগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যেই বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।' বিবৃতিতে মার্কিন সেনাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, 'আঞ্চলিক হুমকি পুরোপুরি দূর না হওয়া এবং দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা না হওয়া পর্যন্ত ইরানি বাহিনী তাদের অবস্থান থেকে সরে আসবে না। আমেরিকান সন্ত্রাসী বাহিনীর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের জবাবে প্রতিটি শহিদের রক্তের বদলা নেওয়া হবে।'

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte