আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ফের সংঘাতের উত্তাপ বাড়তেই তার সরাসরি প্রভাব পড়ল আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে রাতভর পাল্টাপাল্টি হামলার পর বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সেই উদ্বেগেই আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েলের দাম ফের প্রায় ১ শতাংশ বেড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে। ফলে আগের দিনের বড়সড় মূল্যবৃদ্ধির পর বুধবারও লেনদেনের শুরুতে ঊর্ধ্বমুখী অপরিশোধিত তেলের দর। সরবরাহে কোনও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের জোগানে চাপ তৈরি হতে পারে। এই আশঙ্কাই দাম বাড়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের অন্যতম প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুডের দর ব্যারেলপ্রতি ৮৭ সেন্ট বা ০.৯২ শতাংশ বেড়ে ৯৫.৫২ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও বেড়েছে। ব্যারেলপ্রতি ৮০ সেন্ট বা ০.৮৯ শতাংশ বৃদ্ধির পর তা ৯১.০২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও বেড়েছে। ব্যারেলপ্রতি ৮০ সেন্ট বা ০.৮৯ শতাংশ বৃদ্ধির পর তা ৯১.০২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবারের লেনদেনেও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দরে বড়সড় উত্থান দেখা গিয়েছিল। ব্রেন্ট এবং ডব্লিউটিআই দুই বেঞ্চমার্কের দামই ব্যারেলপ্রতি ৪ ডলারের বেশি বেড়েছিল। একদিনে এই মূল্যবৃদ্ধি ছিল উল্লেখযোগ্য। ২৪ জুলাইয়ের পর ব্রেন্ট ক্রুডের ক্ষেত্রে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় দৈনিক দরবৃদ্ধি। একইভাবে ২৩ জুলাইয়ের পর ডব্লিউটিআই ক্রুডেরও সবচেয়ে বড় একদিনের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে ওই লেনদেনে। বিশ্ববাজারে তেলের দামের এই ঊর্ধ্বগতি কতটা স্থায়ী হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির উপর। আমেরিকা-ইরান সংঘাত আরও বাড়লে সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগও বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে আগামী দিনে অপরিশোধিত তেলের দাম আরও চড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

