নিজস্ব প্রতিনিধি: সক্রিয় রয়েছে মৌসুমি বায়ু। বঙ্গোপসাগরে একের পর এক নিম্নচাপের জেরে রাজ্যের উপকূল ও পশ্চিমের জেলাগুলিতে অতি বর্ষণ হয়েছে। সঙ্গে সাগরে সৃষ্ট বেশিরভাগ নিম্নচাপের অভিমুখ ছিল ওড়িশা ও বাংলা সীমানা এলাকা দিয়ে। যার ফলে উত্তর ওড়িশায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। সেই বৃষ্টির জেরে বিপুল পরিমাণ জল ওড়িশা ঘেঁসে থাকা বাংলার নদীগুলিতে প্রবেশ করেছে।
সেই কারণেই পশ্চিম ও পূর্ব দুই মেদিনীপুরের নদীগুলির জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। ডুবেছে চাষের জমি ও নিচু এলাকা।
তেমনই, ভারী বৃষ্টিতে কেলেঘাই নদীর জল বেড়েছে। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরের কিছু এলাকা। সেখানকার বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পরিদর্শন করেছেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী অরূপকুমার দাস। আজ, রবিবার কেলেঘাই নদী পরিদর্শন করেন তিনি। পটাশপুর বিধানসভার আমগেছিয়া থেকে নৌকায় চেপে নদী পরিদর্শনের পাশাপাশি সেচ বাংলোতে মিটিংও করেন মন্ত্রী। এ দিন সেচমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সেচ দফতরের আধিকারিক, স্থানীয় বিডিও, ভগবানপুর, পটাশপুর ও চণ্ডীপুরের বিজেপি বিধায়করা। টানা বর্ষণের কারণে রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর এলাকার কেলেঘাই নদীর জল বেড়ে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে এলাকা। এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এলাকা পরিদর্শন করেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী অরূপকুমার দাস।
আরও পডুন: 'সেশন' এবং 'এলিমেন্ট এক্স' নামে মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করত অর্পিতা! চাঞ্চল্যকর তথ্য গোয়েন্দাদের হাতে
শুধুই নৌকায় চেপে জলমগ্ন এলাকা পরিদর্শন নয়। আরও বৃষ্টিতে জল বাড়লে কী পরিস্থিতি হতে পারে, বন্যা আটকাতে কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে সেই বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন সেচমন্ত্রী। প্রয়োজনীয় রিপোর্ট সংগ্রহ করেছেন তিনি।

