নিজস্ব প্রতিনিধি: পঞ্জাবে অর্থ পাচার এবং জিএমএডিএ (GMADA) লাইসেন্স সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে বড়সড় অভিযান চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। রাজ্যের একাধিক প্রভাবশালী নির্মাতা, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত জোরদার করতে ১২টি স্থানে একযোগে তল্লাশি চালানো হয়েছে।
তদন্তকারীদের দাবি, বেআইনি আর্থিক লেনদেন, ভুয়ো নথি এবং লাইসেন্স অনুমোদনের ক্ষেত্রে অনিয়মের সূত্র মিলেছে।
পঞ্জাবে অর্থ পাচার মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার বড় পদক্ষেপ করল ইডি। সূত্রের খবর, গ্রেটার মোহালি এরিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বা জিএমএডিএ-র লাইসেন্স অনুমোদন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। চণ্ডীগড়, মোহালি-সহ একাধিক জায়গায় মোট ১২টি স্থানে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, রিয়েল এস্টেট প্রকল্প অনুমোদনের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন, শেল কোম্পানির ব্যবহার এবং কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ সামনে এসেছে। তদন্তকারীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি, ডিজিটাল ডিভাইস এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এই মামলায় কিছু প্রভাবশালী নির্মাতা ও সরকারি আধিকারিকের নাম উঠে আসতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। অভিযোগ, লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হত এবং সেই অর্থ বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে ঘুরিয়ে বৈধ দেখানোর চেষ্টা করা হয়। ইডি এখন সেই অর্থের উৎস এবং লেনদেনের পথ খতিয়ে দেখছে।
আরও পড়ুন: প্রকাশ্য স্থানে মূত্রত্যাগ রুখতে প্রশাসনের অভিনব উদ্যোগ ভাইরাল
এর আগে পঞ্জাবে একাধিক আর্থিক দুর্নীতি ও জমি সংক্রান্ত মামলায় ইডি অভিযান চালিয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক ও রিয়েল এস্টেট যোগ নিয়ে তদন্ত আরও তীব্র হয়েছে। তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও, আগামী দিনে আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হতে পারে বলে ইডি সূত্রে খবর। তবে এখনও পর্যন্ত এই মামলায় কোনও গ্রেফতারের খবর সামনে আসেনি।

