Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
'ফ্ল্যাট কেনা-বেচার নামে রাজ্যজুড়ে প্রতারণার জাল ছড়িয়ে পড়েছে,' দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

'ফ্ল্যাট কেনা-বেচার নামে রাজ্যজুড়ে প্রতারণার জাল ছড়িয়ে পড়েছে,' দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: নির্মীয়মাণ ফ্ল্যাটের ছবি দেখিয়ে অগ্রিম নিয়ে চাবি দিচ্ছে না প্রোমোটার। আবার আইনি জটিলতা রয়েছে এমন জমিতে ফ্ল্যাট তৈরি করে বিক্রি করে উপভোক্তাদের ঠকিয়েছে প্রোমোটার। সেই ফ্ল্যাট বিক্রি করে বেপাত্তা প্রোমোটার। এমন ঘটনা প্রায়ই খবর আসছে। রাজ্যজুড়েই ফ্ল্যাটের নামে প্রতারণা চক্র গজিয়ে উঠেছে।

যা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন। আজ, মঙ্গলবার এমনটাই বললেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন নিউ মার্কেটের হগ মার্কেটে ক্রেতা সুরক্ষা সপ্তাহ পালনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকেই তিনি বলেন, ‘রাজ্যজুড়ে ফ্ল্যাট কেনা বেচার যে প্রতারণা চক্র গড়ে উঠেছে তার প্রমাণ আছে। সেই প্রতারণা চক্র যে কত বড় মাপের সেটা সল্টলেকে বিজেপি দফতরে জনতার দরবারে প্রমাণ মেলে। প্রতিদিন বিজ্ঞাপন দিয়ে ফ্ল্যাট বুকিং এর ক্ষেত্রে কত ভাবে প্রতারিত করছে এর কোনও ব্যবস্থা ছিল না।’

আরও পডুন: বিলবোর্ড কাণ্ডে শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দিলেন অভিষেক

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সল্টলেকে দলীয় কার্যালয়ে জনতার দরবার এবং সিএমআর-এর গ্রিভেন্স সেলে প্রতিদিন এই সংক্রান্ত প্রচুর অভিযোগ জমা পড়ছে। ভুয়ো বিজ্ঞাপন দেখিয়ে অগ্রিম টাকা নিয়ে ফ্ল্যাট বুকিংয়ের নামে বহু মানুষকে নিঃস্ব করা হচ্ছে। মাত্র ১০ দিন আগে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট নিউটাউনের একটি ঘরে অভিযান চালিয়ে ১২০ জনকে গ্রেফতার করেছে। জোম্যাটো-সহ বিভিন্ন বিখ্যাত অনলাইন খাবার বা সামগ্রী ডেলিভারি সংস্থার নাম ভাঙিয়ে ভুয়ো বুকিং নিয়ে টাকা আত্মসাৎ করছিল ওই চক্রটি।’ ক্রেতা সুরক্ষা নিয়ে ও সাধারণ মানুষেক স্বাস্থ্য সচেতনতার বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, ‘সবজি ও চিনির হঠাৎ দাম বৃদ্ধির পর প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপে বাজারে দর কিছুটা কমেছে। চালে অহেতুক দাম বাড়ানোর কোনও কারণ ছিল না। কারণ আমাদের রাজ্যে চাল উদবৃত্ত। নামী রেস্তোরাঁ, হোটেল ও মিষ্টির দোকানে খাবারে ক্ষতিকর রাসায়নিক রং এবং মাছ-সবজিকে তাজা দেখাতে বিপজ্জনক কেমিক্যালের ব্যবহার করা হয়। যা নিষিদ্ধ করে দিয়েছি। অসাধু কিছু ব্যবসায়ী এবং বিগত পচন ধরা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কিছু অসাধু পুলিশ ও খাদ্য দফতরের যোগসাজশে এই চক্র চলত। যা আর বরদাস্ত করা হবে না।’

ক্রেতা সুরক্ষা নিয়ে বিগত সরকারগুলির ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বাস্তবে এই দফতরটি চরম অবহেলিত ছিল। অথচ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে এই দফতরের সরাসরি যোগ রয়েছে। শাক-সবজি ও মাছ কেনার ক্ষেত্রে দাঁড়িপাল্লা বা আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রে পরিমাপের কারচুপি থেকে শুরু করে রসিদ না দেওয়া, প্রতিটি পদক্ষেপে আমজনতা প্রতারিত হচ্ছেন। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য হোক কিংবা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। কেউ ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের অনুষ্ঠানে আসতেন না।’

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte