নিজস্ব প্রতিনিধি: 'রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে, দেশের বিরুদ্ধে কোনও কিছু বলবেন না। এমন কিছু লিখবেন না যাতে দেশের বদনাম হয় বা ক্ষতি হয়,' আজ, মঙ্গলবার নবান্ন থেকে এমনটাই সাংবাদিকদের পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন রাজ্যের সাংবাদিকদের পেনশন ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আনার প্রকল্পের শুভ সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
সেই অনুষ্ঠানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমস্ত সাংবাদিকদের পরামর্শ দেন, ‘সরকার বা দলের সমালোচনা মাথা পেতে নেওয়া হবে। যত খুশি আমাদের সমালোচনা করুন। কারোর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করব না। তবে দেশপ্রেম ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সংবাদমাধ্যমকে কঠোর ও দায়িত্বশীল অবস্থান নিতে হবে। সংবিধান বাকস্বাধীনতা থাকলেও নেশন ফার্স্ট নীতি আমাদের বজায় রাখতে হবে। দেশ দুর্বল হয় বা ধর্মীয় আস্থায় আঘাত লাগে, এমন শব্দ বা ভাষা প্রয়োগ এড়িয়ে চলা উচিত। সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করুন।’
আরও পডুন: নাগাড়ে বৃষ্টিতে জলযন্ত্রণা, শহরে বন্ধ একাধিক রাস্তা, ট্রাফিকের গতি মন্থর
সাংবাদিকদের পেনশন ও স্বাস্থ্যবিমা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘আগে স্বাস্থ্যসাথীতে কেবল রাজ্যের ১,৭০০টি হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ মিলত। তবে নতুন আয়ুষ্মান ভারত ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনার আওতায় রাজ্যের ১,৯০০ সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সুবিধা পাওয়া যাবে। কেবল রাজ্যেই নয়, অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স (AIIMS), ভেলোরের সিএমসি, মুম্বইয়ের টাটা ক্যানসার হাসপাতাল, চণ্ডীগড় পিজিআই এবং হায়দরাবাদের ড. রেড্ডির মতো সমগ্র ভারতের প্রায় ৩৮,০০০ হাসপাতালে সপরিবারে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন সাংবাদিকরা। যে সব সাংবাদিক বা তাঁদের পরিবার নির্দিষ্ট শর্তাবলি বা বয়সজনিত নিয়মের কারণে আয়ুষ্মান ভারত এর আওতায় আসবেন না, তাঁদের সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই প্রক্রিয়া তদারকি করবেন তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সচিব ড. সৌমিত্র মোহন এবং স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম। এর জন্য কোনও রাজনৈতিক নেতা বা মন্ত্রী পর্যায়ের কারোর সুপারিশের প্রয়োজন হবে না।’

