নিজস্ব প্রতিনিধি: দু'দফার ভোট বাংলায় হয়ে গিয়েছে। এখন সকলেই অপেক্ষা করছেন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে। ইতিমধ্যেই একাধিক বুথফেরত সমীক্ষা সম্প্রচার করেছে সংবাদমাধ্যমগুলি। তাতে কেউ বিশ্বাস করছেন আবার একটা বড় অংশের মানুষ তাতে আমল দিচ্ছেন না। 'বাংলার মসনদে'র ভবিষ্যৎ নির্ধারণ আগামী ৪ মে হবে।
এই আবহে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বড় ভবিষ্যদ্বাণী করলেন মানসী সিনহা। একদিকে তিনি অভিনেত্রী অপরদিকে তিনি পরিচালকও। তাই তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। এই ভবিষ্যদ্বাণী মিলবে কিনা সেটা জানা যাবে ৪ মে। তবে তিনি যে হঠাৎ এমন কাজ করলেন তা নিয়েও নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে।
মানসী সিনহা অভিনয়ের জগতে পরিচিত মুখ। পরিচালক হিসেবেও প্রশংসা অর্জন করেছেন। স্পষ্ট বক্তা হিসাবে তাঁকে সকলেই জানেন। কিন্তু রাজনীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ আছে এমনটা সবারই অজানা। তবে তৃণমূল কংগ্রেসকে নানা ইস্যুতে সমালোচনা করেছেন। এমনকী একাধিকবার ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের ইস্যু নিয়েও মতামত ব্যক্ত করেছেন সোজাসুজি। নিজের রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়েও সোজাসাপ্টা কথাও বলেছেন মানসী। এবার ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বামেদের হয়ে ভোটপ্রচার করতেও দেখা গিয়েছে অভিনেত্রীকে। আর ফলপ্রকাশের আগেই 'শূন্য' কেটে ভাল সংখ্যায় ফিরবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন মানসী সিনহা।
এই ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষেত্রে অবশ্যই নানা সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচারিত বুথফেরত সমীক্ষা আছে বলে অনেকে মনে করছেন। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছে গোটা দেশ। 'পরিবর্তন না প্রত্যাবর্তন' এসব নিয়ে যখন বাংলার রাজ্য-রাজনীতিতে চর্চা তুঙ্গে তখন সিপিএমের পাশে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কে জিতবে? এমন এক অনুষ্ঠানে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে মানসী বললেন 'লাল জিতবে'। উত্তর দেওয়ার পরই তড়িৎগতিতে জিভ কাটলেও আর বেশি কথা বাড়াননি।
আসলে সিপিএম অথবা গোটা বামফ্রন্টের শতাংশ বাড়লেও খাতা খোলা কঠিন সেটা অনেকে মনে করছেন। আসন পাবে কিনা তা নিয়ে কেউ চূড়ান্ত কথা বলেননি। সেখানে লাল জিতবে কথাটি প্রথম বললেন মানসী। যা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই বিষয়ে মানসী বলেন, 'আমায় যদি ব্যক্তিগতভাবে জিজ্ঞেস করা হয়, আমি বলব, সিপিএম হয়তো সরকার গড়তে পারবে না ঠিকই, কিন্তু নিঃসন্দেহে এবার বেশ কয়েকটি আসন পাবে। এবার বামেদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা।' অভিনেত্রী-পরিচালকের এই মন্তব্য অবশ্য খানিক অক্সিজেন পাচ্ছেন সিপিএম নেতারা। বাকিটা বোঝা যাবে ৪ মে।

