Dailyhunt
স্ট্রং রুমে সিসিটিভিতে 'গোলযোগ' অভিযোগে সরব তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস

স্ট্রং রুমে সিসিটিভিতে 'গোলযোগ' অভিযোগে সরব তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস

নিজস্ব প্রতিনিধি, বনগাঁ: গত ২৯ তারিখ শেষ হয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব।আর আগামী ৪ তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ভোটগণনা। তার আগে শুক্রবার বনগাঁ দীনবন্ধু মহাবিদ্যালয়ে থাকা স্ট্রং রুমকে ঘিরে সিসিটিভি ক্যামেরার গোলযোগের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।বনগাঁ উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগ করেন, স্ট্রং রুমে(Strong Room) নজরদারির জন্য বসানো সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি কয়েক মিনিট অন্তর অন্তর বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

তার দাবি, এত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই ধরনের প্রযুক্তিগত সমস্যায় ইভিএমের (EVM)নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তিনি বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের নজরে এনেছেন বলেও জানান।ভোটগণনার তিনদিন দেরি। তার আগে শুক্রবার সকাল হওয়ার কয়েকঘন্টা আগে মধ্যরাতে বারাসতে গভর্নমেন্ট কলেজ(Barasat Goverment College) ও বারাসত প্যারীচরণ সরকার হাইস্কুলের কাছে স্ট্রং রুম ও গণনা কেন্দ্রের সামনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার রাত পেরোতেই উত্তেজনার আভাস মেলে।

এখানে একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা হবে এবং আঁটোসাটো পাহারায় সুরক্ষিত রয়েছে ইভিএম যদিও স্ট্রং রুমের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজনৈতিক দলগুলি। এখানেই জমা রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্রের ভাগ্য নির্ধারণকারী জনাদেশ। গভর্নমেন্ট কলেজ ও স্কুলের সামনে বিজেপি এবং তৃণমূলের নেতৃস্থানীয়দের সমর্থক সহ রাত দুটো থেকে তিনটের মধ্যে জটলা করতে দেখা যায়। উভয় রাজনৈতিক দলের অভিযোগ ছিল বহিরাগত আনা হয়েছে স্ট্রং রুমের আশেপাশে। আমডাঙার তৃণমূল প্রার্থী কাসেম সিদ্দিকী তাঁর বিরাট সমর্থক বাহিনী নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, বিজেপি এবং আইএসএফ একত্রিত হয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটাতে পারেন এমন আশংকা তাদের রয়েছে।

স্ট্রং রুম যাদের দায়িত্বে তাদেরকে বিশ্বাস নেই, বিশেষ করে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তাদের একবিন্দু বিশ্বাস নেই তাই তাঁরা বাইরে থেকে স্ট্রং রুম পাহারা দিচ্ছেন বলে দাবি করেন আমডাঙার তৃণমূল প্রার্থী কাসেম সিদ্দিকী। তাঁরা মমতা ব্যানার্জির নির্দেশ মেনে দুর্গ রক্ষা করছেন বলে জানান কাসেম সিদ্দিকী ও তাঁর সঙ্গীরা।অন্যদিকে, বারাসাত কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর চ্যাটার্জির নির্বাচনী এজেন্ট দীপ্ত লস্কর জানান ,স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন রুমের কাছে এভাবে ভিড় বাড়তে দিচ্ছেন কেন সেটাই তাদের প্রশ্ন।

রাত বেড়েছে, জটলা কমে নি। শুক্রবার ভোর হওয়ার আগেও বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজ ও স্কুলের চারপাশে ছিল জটলা, রাজনৈতিক দলগুলির সমর্থকদের আনাগোনা।স্ট্রং রুমে নির্বাচকদের উত্তরপত্র সুরক্ষিত রাখা নিয়ে চাপা আতঙ্ক রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে কমছে না।এদিকে,অশোকনগর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামী শুক্রবার বারাসত কলেজে স্ট্রং রুম পরিদর্শন করতে যান।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte