নিজস্ব প্রতিনিধি : ঠাকুমা যখন অসুস্থ, তখন কোথায় ছিলে? চিকিৎসা করাওনি। আমরাই চিকিৎসা করিয়েছি। জনসভা থেকে নাম না করে শান্তনু ঠাকুরকে নিশানা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ঠাকুরবাড়ি নিয়ে এখন রাজনীতি করা হচ্ছে। কিন্তু যখন ঠাকুরবাড়ির 'বড়মা' অসুস্থ, তখন কোথায় ছিলেন তিনি।
চিকিৎসা পর্যন্ত করায়নি।
তিনি আরও বলেছেন, ‘বড়মা’ অসুস্থ হলে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকই খবর দিতেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতো। সঙ্গে করে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক হাসপাতালে নিয়ে যেত। সেই সব ভুলে গিয়েছে। নির্বাচনের আগে এই ঠাকুর বাড়ি নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, ২০২১ সালে আসার আগে যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, পালন করা হয়েছে। একাধিক কাজ হয়েছে। একাধিক কাজ করতে হবে। ক্ষমতায় এসে সেই সকল কাজ করা হবে।
তাঁর অভিযোগ, মানুষের ভোট কেটে দিচ্ছে। মাদার টেরেজার মিশনারিজ অফ চ্যারিটির ৩০০ জনের নাম কেটেছে। ভারত সেবাশ্রম, বেলুড় মঠের সন্ন্যাসীর নাম বাদ। অনেক বিচারপতি হয়তো লজ্জায় বলতে পারেননি, বা এখন হয়তো নাম উঠেছে, তাঁদের নামও কাটা হয়েছিল। নিজেরা ভুল করে মানুষের ঘারে দোষ চাপাচ্ছে। বাংলাতে কোন আসনে কে প্রার্থী ভুলে যান। মানুষের সাহায্য ছাড়া তৃণমূল সরকার তৈরি হবে না। মানুষের সাহায্য খুব দরকার। সব উন্নয়ন কর্মসূচি বজায় রাখতে তাঁর মুখটাই মনে রেখে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
হাবড়ায় সিপিএমকে নিশানা করে তিনি বলেন, নিজেরা জিতবে না। বিজেপিকে জিতিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে। সেই কারণে একটি ভোটও সিপিএমকে নয়। ওদের শূন্য করা হয়েছিল। মাছে ভাতে থাকতে হলে, ভোট তৃণমূলে দিতে হবে। তিনি থাকতে এনআরসি করতে দেবেন না। ডিটেনশন ক্যাম্পে যেতে দেবেন না কাউকে।

