নিজস্ব প্রতিনিধি: তৃণমূল কংগ্রেসের জমানায় একাধিক রোগের মধ্যে অন্যতম ছিল তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট। সেই রোগের অ্য়ান্টিটোড খুঁজে পায়নি রাজ্যের পূর্বতন সরকার। সেই কারণেই অতিষ্ঠ হয়ে তৃণমূলকে রাজ্য থেকে বিদায় জানিয়েছে আমজনতা। তৃণমূল জমানার তোলাবাজির সংস্কৃতি ফিরে আসবে না। এই প্রতিশ্রুতি দিয়েই রাজ্যে ক্ষমতাতে এসেছে বিজেপি।
যদিও মাত্র তিন মাসে দেখা যাচ্ছে সেই একই দৃশ্য। বিজেপির নাম করে বা গেরুয়া শিবিরের একাংশ তোলাবাজি করছে বলে অভিযোগ। আর সেটা নিয়ন্ত্রণে কড়া বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
আজ, বুধবার তিনি জানিয়েছেন, তোলাবাজির অভিযোগে গত তিন মাসে দলেরই ২৫০ কর্মীকে শোকজ করা হয়েছে। শোকজ-এর মধ্যে বেশ কিছু গ্রহণযোগ্য উত্তর মেলায় অব্যাহতি পেয়েছেন প্রায় ৮০ জন। কিছুজন এখনও উত্তর দেননি। আর ২২ জনের উত্তর সন্তোষজনক না হওয়ায় তাদের দল থেকেই সাসপেন্ড বা বহিষ্কার করা হয়েছে। দলের নীচু তলার কর্মীরা তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ছেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ও কড়া বার্তা দিতেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
আরও পডুন: মর্মান্তিক! মাথায় তাল পড়ে মৃত্যু ১৪ মাসের শিশুর
কয়েকদিন আগেই এক অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে শমীকবাবু বলেছিলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বাংলায় একটি সিন্ডিকেট সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সেই সংস্কৃতি রাতারাতি বদলে যায় না। আমি যদি দাবি করি, রাজ্যের সব জায়গা থেকে তোলাবাজি বন্ধ করে দিয়েছি, তা হলে সেটা সত্যি বলা হবে না। এখনও কিছু বিচ্যুতি রয়েছে। বহু বছরের একটি অভ্যাস এক দিনে শেষ হয় না।’ যদিও সেই অভ্যাস বদলাতেই চান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাই দলেরই কর্মীদের সাসপেন্ড করে কড়া বার্তা দিলেন শমীক ভট্টাচার্য।

