এই সময়: রোদে-গরমে নাজেহাল হয়ে পড়েছিলেন লোকজন। শুক্রবার দুপুরের বৃষ্টিতে স্বস্তি ফেরে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে। তবে বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত কেড়ে নিল তিনটি প্রাণ। পশ্চিম মেদিনীপুরের গোয়ালতোড়ে বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয়েছে দুই কিশোরের। ঝাড়গ্রামের লালগড়েও প্রাণ হারিয়েছেন এক ব্যক্তি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন দুপুরে গোয়ালতোড় থানার আগরবাঁধে ১৪ জন স্কুলপড়ুয়া বন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে পিকনিক করছিল। দুপুরে শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি। সঙ্গে বজ্রপাত। বেশিরভাগ কিশোর দৌড়ে একটি পোলের নীচে আশ্রয় নিলেও অয়ন গোস্বামী (১৫) ও রূপম চৈরা (১৫) একটি গাছের নীচে দাঁড়িয়ে পড়ে। বজ্রঘাতে গুরুতর জখম হয় তারা। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার করে গড়বেতা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা দু'জনকেই মৃত বলে জানিয়ে দেন। ওই দুই কিশোর নবম শ্রেণির পড়ুয়া ছিল।
অন্যদিকে, লালগড়ের গোয়ালডাঙার মুক্তিপদ পাল (৫৯) খেতে গিয়েছিলেন ঘাস কাটতে। স্থানীয়দের দাবি, বৃষ্টির সময়ে আচমকা বজ্রাঘাতে মাঠেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। গোয়ালতোড়ের বাসিন্দা শম্ভু মাহাতো বলেন, 'কয়েক দিনের অসহ্য গরমের পরে বৃষ্টি নামায় সকলেই স্বস্তি পেয়েছিলেন। কিন্তু এমন মর্মান্তিক ঘটনা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।' ঝাড়গ্রামের বাসিন্দা লক্ষ্মী সোরেনের কথায়, 'এখন বৃষ্টি হলেই ভয় করছে।'

