Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
দু'মাসেই শ্যাওলা, আবর্জনা জমল 'আন্তর্জাতিক মানে'র সুইমিং পুলে

দু'মাসেই শ্যাওলা, আবর্জনা জমল 'আন্তর্জাতিক মানে'র সুইমিং পুলে

সঞ্জয় দে, দুর্গাপুর

ক্কানিনাদই সার। উদ্বোধনের দু'মাসের মধ্যেই মুখ থুবড়ে পড়ল দুর্গাপুরের ভগৎ সিং ক্রীড়াঙ্গনে তৈরি আন্তর্জাতিক মানের দু'টি সুইমিং পুল। ছোটদের পুলে জল নেই। জমে আছে শ্যাওলা ও আবর্জনা। বড়দের পুলের নোংরা জলে ঘুরছে পোকামাকড়। সাঁতার প্রশিক্ষণ শুধু নয়, কথা ছিল, এই পুলে সাঁতার প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হবে।

কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি, তাতে কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি এই পুল ফের ব্যবহার করতে হলে কয়েক লক্ষ টাকা প্রয়োজন।

২০২৬-এর ৬ মার্চ সুইমিং পুল দু'টি উদ্বোধন করে আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন সংস্থা (এডিডিএ)। জামুড়িয়া ও দুর্গাপুরের দু'টি বেসরকারি ইস্পাত কারখানা কর্তৃপক্ষ তাঁদের সিএসআর (কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি) ফান্ড থেকে অত্যাধুনিক এই পুল তৈরি করে দেয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, সাংসদ কীর্তি আজাদ, এডিডিএ-এর তৎকালীন চেয়ারম্যান কবি দত্ত, সিইও অদিতি চৌধুরী-সহ অন্য বিশিষ্টরা। আলোক সজ্জিত ঝা চকচকে সুইমিং পুল দেখে প্রদীপ মজুমদার ও অন্যরা দাবি করেন, এই পুলটি আন্তর্জাতিক মানের। পুল পরিচালনার দায়িত্ব দুর্গাপুর পুরসভার হাতে তুলে দেয় এডিডিএ। সূত্রের খবর, উদ্বোধনের পরে পুল রক্ষণাবেক্ষণ তো দূর, কেউ খোঁজও নিতে আসেননি।

পুরসভার কমিশনার আবুল কালাম আজাদ ইসলামের বক্তব্য, 'উদ্বোধনের দিন মৌখিক ভাবে এডিডিএ কর্তৃপক্ষ সুইমিং পুল পরিচালনার কথা বলেছিলেন। কিন্তু কোনও লিখিত অনুমতি দেননি।'

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন দুর্গাপুরের বাসিন্দা ক্রীড়া প্রশাসক মুকুটকান্তি নাহা, বিধাননগরের বাসিন্দা সুব্রত রায়রা। সুব্রতর কথায়, 'পুল দু'টি দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, আমি নিয়মিত আসব। ছেলেকে সাঁতার প্রশিক্ষণের জন্য ভর্তি করাব। কয়েক বার স্টেডিয়ামে গিয়েছিলাম। কিন্তু কারও দেখা পাইনি।' মুকুটকান্তি আশা প্রকাশ করে বলেন, 'ব্যবহার না-হলে যে কোনও জিনিস নষ্ট হয়। আশা করি, সংস্কার করে পুলটি চালু করা হবে।'

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: ei samay analain