বাংলাদেশের নিষিদ্ধ সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর সশস্ত্র ক্যাডার এবং একাধিক হত্যা মামলার আসামি সাজ্জাদ আলি গত প্রায় ১৩ বছর ধরে ভারতে গোপনে বসবাস করছে বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ইন্টারপোলের 'মোস্ট ওয়ান্টেড' তালিকায় থাকা এই অপরাধী ভারতে অবস্থান করেই বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।
পাশাপাশি 'গাজওয়াতুল হিন্দ' মতাদর্শে অনুপ্রাণিত বিভিন্ন ভারত-বিরোধী গোষ্ঠীকে আর্থিক সহযোগিতাও জোগাচ্ছে সে।
তদন্তকারীদের চিন্তায় ফেলেছে তার জোগাড় করা ভারতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট। পুলিশি যাচাই প্রক্রিয়ার ফাঁক গলে কীভাবে সে ভারতীয় পাসপোর্ট ও জাল পরিচয়পত্র হাতে পেল, তা নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, সাজ্জাদ পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI)-এর হয়ে ভারতে জাল নোট পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত এবং আন্তর্জাতিক অপরাধী দাউদ ইব্রাহিমের 'ডি-কোম্পানি'র সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হয়েছে সাজ্জাদের সহযোগী মোবারক হোসেন ইমন (ওরফে ডেভিড ইমন)। ইমন ভারতে 'আজহার খান' ছদ্মনামে থাকার সময় একইভাবে জাল পরিচয়পত্র তৈরি করেছিল। জিজ্ঞাসাবাদে ইমন নিশ্চিত করেছে যে সাজ্জাদের কাছেও ভারতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে। এই বিপজ্জনক অপরাধী বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের কোনো গোপন ডেরায় আত্মগোপন করে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

