Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
১৯ বছর পর কলকাতায় তসলিমা! "সবাই আসার সুযোগ পাবেন, বাক-স্বাধীনতা সুরক্ষিত"-স্বাগত জানিয়ে আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর!

১৯ বছর পর কলকাতায় তসলিমা! "সবাই আসার সুযোগ পাবেন, বাক-স্বাধীনতা সুরক্ষিত"-স্বাগত জানিয়ে আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর!

এক ঝলক 2 weeks ago

দীর্ঘ ১৯ বছরের নির্বাসন ও প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে তিলোত্তমা কলকাতা শহরে পা রাখলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত ও বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। শনিবার কলকাতার রবীন্দ্র সদনে নাগরিক সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।

২০০৭ সালে তৎকালীন বাম জমানায় কলকাতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন লেখিকা।

দীর্ঘ ১৯ বছর পর তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্র সদনে ছিল আঁটসাঁট নিরাপত্তা এবং ভক্তদের তুমুল উন্মাদনা।

শুভেন্দু অধিকারীর সারপ্রাইজ এন্ট্রি ও 'বঙ্কিমচন্দ্র' দিয়ে সংবর্ধনা

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল রাজ্য সরকারের অবস্থান। পূর্বনির্ধারিত সূচি না থাকা সত্ত্বেও আচমকা অনুষ্ঠানে হাজির হন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, কোনো সরকারি অতিথি হিসেবে নয়, রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান এবং একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেই তিনি লেখিকাকে সম্মান জানাতে এসেছেন।

সংবর্ধনার স্মারক হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী তসলিমা নাসরিনের হাতে তুলে দেন 'বন্দে মাতরম'-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ছবি।

"বাক-স্বাধীনতা সুরক্ষিত, ধমক-চমক অতীত"

বিগত বাম আমলের কড়া সমালোচনা করে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্টভাবে জানান, "বিগত দিনের সেই ভীতি ও কণ্ঠরোধের রাজনীতি এখন অতীত। নতুন সরকারের হাতে গণতন্ত্র, সংবিধান ও বাক-স্বাধীনতা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।"

লেখিকাকে আশ্বস্ত করে তিনি আরও যোগ করেন, "পশ্চিমবঙ্গে সবার আসার সুযোগ রয়েছে। আপনি এখানে শান্তিতে থাকুন। একবার নয়, বারে বারে আসবেন।"

নিরাপত্তার দায়িত্ব খোদ মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রী হিসেবে লেখিকার যাবতীয় নিরাপত্তার ভার নিজের কাঁধে তুলে নেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নিশ্চিত করেন যে বদলে যাওয়া এই বাংলায় যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং মুক্তচিন্তার পরিবেশ বজায় রাখতে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর।

এদিনের এই বিশেষ নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায় এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের মতো বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংস্কৃতিক গুণীজনেরাও উপস্থিত ছিলেন।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ek Jhalak