Dailyhunt
আপনার কাছে কি CKYC নম্বর আছে? বারবার KYC করার ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে জেনে নিন এই কার্ড কীভাবে তৈরি করবেন

আপনার কাছে কি CKYC নম্বর আছে? বারবার KYC করার ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে জেনে নিন এই কার্ড কীভাবে তৈরি করবেন

এক ঝলক 1 year ago

ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলতে বা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতে গেলে, প্রথমেই আপনাকে KYC (Know Your Customer) করাতে হবে। এই প্রক্রিয়ার জন্য ব্যাংকগুলি আপনার থেকে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করে। মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের আগেও ফান্ড হাউস আপনার KYC সম্পন্ন করে। এর জন্য তারা আপনার PAN, আধার এবং অন্যান্য নথি নেয়।

তবে আপনি যদি এই সমস্যাগুলি এড়াতে চান, তাহলে CKYC নম্বর সংগ্রহ করুন।

CKYC নম্বর তৈরি করা খুব সহজ। এটি পেলে আপনি বারবার KYC করানোর ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন। এই নম্বরের সাহায্যে ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলতে বা অন্য কোনও আর্থিক কাজ করতে KYC করানোর প্রয়োজন হবে না। আপনার যদি CKYC নম্বর থাকে, তাহলে আপনি বাড়িতে বসেই SBI-তে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। ব্যাংক এই সুবিধা দিচ্ছে।

CKYC কী?

ভারতে CKYC একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেস যা গ্রাহকদের KYC সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করে। সহজভাবে বললে, এটি আপনার পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্যের জন্য একটি সুরক্ষিত ডিজিটাল ভল্ট। ফলে, যখনই আপনি কোনও অ্যাকাউন্ট খুলতে বা বিনিয়োগ করতে চান, তখন আর বারবার KYC করানোর প্রয়োজন হয় না। ব্যাংকগুলি CKYC-এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে। CKYC একটি ১৪-অঙ্কের ইউনিক নম্বর, যা আপনার পরিচয়ের সাথে সম্পর্কিত সমস্ত পরিচয় নথির সহজ অ্যাক্সেস প্রদান করে। এটি সেন্ট্রাল রেজিস্ট্রি অফ সিকিউরিটাইজেশন অ্যাসেট রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড সিকিউরিটি ইন্টারেস্ট (CERSAI)-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যা ভারত সরকারের অধীনে একটি সংস্থা।

CKYC-এর সুবিধা

  • ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলার আগে বা নতুন কোনও বিনিয়োগ শুরু করার আগে বারবার KYC করানোর প্রয়োজন নেই।
  • আপনার CKYC ডেটা প্রয়োজন অনুযায়ী আপডেট করা যায়।
  • একই CKYC নম্বর ব্যবহার করে বিমা, মিউচুয়াল ফান্ড এবং শেয়ার মার্কেটের মতো বিভিন্ন আর্থিক কার্যক্রম করা যায়।
  • CKYC আর্থিক সংস্থাগুলিকে দ্রুত ও নিরাপদ উপায়ে নথি যাচাই করতে সহায়তা করে, যা পুরো প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে।

কীভাবে CKYC নম্বর তৈরি করবেন?

  1. CKYC-তে নিবন্ধিত কোনও আর্থিক সংস্থা (ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড বা অন্য কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠান) খুঁজে নিন।
  2. PAN কার্ড, আধার কার্ড এবং ঠিকানার প্রমাণপত্র জমা দিন।
  3. আর্থিক সংস্থা আপনার নথিগুলি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করবে।
  4. যাচাই সফল হলে, আপনাকে একটি ইউনিক ১৪-অঙ্কের CKYC নম্বর দেওয়া হবে।

কীভাবে CKYC নম্বর পরীক্ষা করবেন?

  1. প্রথমে https://www.ckycindia.in/kyc/getkyccard লিঙ্কটি খুলুন।
  2. আপনার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর লিখুন এবং ক্যাপচা পূরণ করুন।
  3. এরপর ‘অ্যাডভান্স ক্লিক’ করুন। আপনার মোবাইল নম্বরে একটি OTP আসবে।
  4. OTP প্রবেশ করান। তারপর আপনার মোবাইলে একটি লিঙ্ক আসবে, যার মাধ্যমে আপনি CKYC কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন। পিডিএফটি পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত থাকবে। পাসওয়ার্ডটি হবে আপনার জন্ম তারিখ (DDMMYYYY ফরম্যাটে)। এরপর আপনি আপনার CKYC কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।
Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ek Jhalak