Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
ধ্বংসস্তূপের নিচে মৃত্যুর মিছিল: নেপালে প্রাণহানি ৯০৩, কোশী-ত্রিশূলীর রূদ্ররূপে নতুন বিপর্যয়ের আশঙ্কা!

ধ্বংসস্তূপের নিচে মৃত্যুর মিছিল: নেপালে প্রাণহানি ৯০৩, কোশী-ত্রিশূলীর রূদ্ররূপে নতুন বিপর্যয়ের আশঙ্কা!

এক ঝলক 1 week ago

নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানের তাণ্ডবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০৩-এ। এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ চার হাজারের বেশি মানুষ। সময় যত গড়াচ্ছে, নিখোঁজদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা ততটাই ফিকে হচ্ছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকেই আটকে থাকায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও অনেক বাড়ার আশঙ্কা করছে প্রশাসন।

এরই মধ্যে নতুন করে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মেঘ ঘনাচ্ছে। রবিবার মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে দুর্গত এলাকার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরার জন্য সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে নেপাল সরকার। ভোটে কোশী নদীর জলস্তর নতুন করে বাড়তে শুরু করায় তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, ত্রিশূলী নদীতে নতুন করে আসা হড়পা বানের তোড়ে ভেসে গিয়েছে গন্ডকী প্রদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুলন্ত সেতু। ফলে পৃথ্বী হাইওয়ের সংলগ্ন একাধিক এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গত বুধবার নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ চালিত হ্রদ বিস্ফোরণের (GLOF) ফলেই এই বিপর্যয় ঘটে। পাহাড় থেকে আসা বিশালাকার পাথর, বরফ ও কাদার ধসে হ্রদের বাঁধ ভেঙে নিচের লোকালয় প্লাবিত হয়। নদীর পথ আটকে যাওয়া এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে কাদা-জল ঢুকে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় বিপদ ঘটেছে। সেখানে কর্মরত শতাধিক শ্রমিক এখনও সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সীমান্ত পেরিয়ে এই দুর্যোগের থাবা পড়েছে চিনের তিব্বত অঞ্চলেও। চিনা সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, তিব্বতে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫৪৬ জন এখনও নিখোঁজ। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধারে এবং ত্রাণ পৌঁছাতে পূর্ণশক্তি নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন। এক সপ্তাহ পার হতে চললেও নেপাল ও তিব্বতের দুর্যোগকবলিত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া তো দূরের কথা, নদীগুলোর জল ফের বাড়তে থাকায় উদ্ধারকারীদের কপালেও চিন্তার ভাঁজ গভীর হচ্ছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ek Jhalak