Dailyhunt
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জায়গায় আসছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, মে মাস থেকেই কি মিলবে তিন হাজার টাকা

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জায়গায় আসছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, মে মাস থেকেই কি মিলবে তিন হাজার টাকা

এক ঝলক 2 days ago

দীর্ঘ দেড় দশকের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলায় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটেছে। বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। এই জয়ের আবহে বাংলার মহিলাদের মধ্যে এখন সবথেকে বড় আলোচনার বিষয় হলো 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার'। নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পরিবর্তে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালু করা হবে, যেখানে মাসিক ভাতার পরিমাণ হবে ৩০০০ টাকা।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের পথচলা ও আবেদনের পদ্ধতি

বিজেপির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন রাজ্যের মহিলারা। তবে বর্তমানে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। আগামী ৯ মে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের কথা রয়েছে। প্রশাসনিক মহলের ধারণা, শপথ গ্রহণ এবং মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই এই প্রকল্প নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যেহেতু এখনও সরকারিভাবে কোনো নির্দেশিকা জারি হয়নি, তাই আবেদনপত্রের ফর্ম বা প্রয়োজনীয় নথির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পেতে আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে। মনে করা হচ্ছে, মে মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভবিষ্যৎ ও সম্ভাব্য প্রভাব

নতুন সরকার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালুর কথা বললেও বর্তমান 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' প্রকল্পটি এখনই বন্ধ হচ্ছে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। বিদায়ী সরকার এই প্রকল্পে সাধারণ ও সংরক্ষিত শ্রেণির মহিলাদের জন্য যথাক্রমে ১৫০০ ও ১৭০০ টাকা বরাদ্দ করেছিল। বিজেপি ক্ষমতায় আসায় এই অনুদান সরাসরি ৩০০০ টাকায় উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে মে মাসের কিস্তি হিসেবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা মহিলারা যথানিয়মে পাবেন বলেই আশা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালু হলে রাজ্যের নারী ক্ষমতায়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড়সড় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। মাসিক ভাতার পরিমাণ একলাফে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। তবে এই বিশাল অঙ্কের আর্থিক বরাদ্দের জোগান দিতে রাজ্য কোষাগারের ওপর কতটা চাপ পড়বে, এখন সেটাই দেখার বিষয়। নতুন সরকারের জন্য এই জনহিতকর প্রকল্প বাস্তবায়ন করাই হবে প্রথম ও প্রধান চ্যালেঞ্জ।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ek Jhalak