Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
রাখির দিনেই মর্মান্তিক পরিণতি: ভরতপুরে মাটির বাড়ি ধসে মৃত বৃদ্ধ দম্পতি, অলৌকিক জয় ১৩ বছরের নাতির

রাখির দিনেই মর্মান্তিক পরিণতি: ভরতপুরে মাটির বাড়ি ধসে মৃত বৃদ্ধ দম্পতি, অলৌকিক জয় ১৩ বছরের নাতির

এক ঝলক 2 weeks ago

মুর্শিদাবাদ: রাখির আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হলো শোকে। মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থানার শেখপাড়ায় একটি পুরোনো মাটির বাড়ির দোতলার অংশ আচমকা ধসে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হলো এক বৃদ্ধ দম্পতির। শুক্রবার দুপুরে ঘটা এই দুর্ঘটনায় মৃতরা হলেন সৈয়দ মনোয়ার আলি (৬২) এবং তাঁর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৬১)।

তবে ভাগ্যক্রমে অলৌকিকভাবে প্রাণ বেঁচে গিয়েছে তাঁদের ১৩ বছরের নাতি সৈয়দ ফারহান আনোয়ারের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে পরিবারের সদস্যেরা যখন ঘরের ভেতরেই ছিলেন, ঠিক তখনই দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিকট শব্দে দোতলা মাটির ঘরের একাংশ ভেঙে পড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। দম্পতি নিচে চাপা পড়ে গেলেও কিশোর ফারহান কোনোমতে সেখান থেকে বেরিয়ে এসে চিৎকার শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে আসেন এবং খবর দেওয়া হয় ভরতপুর থানার পুলিশ, দমকল ও সিভিল ডিফেন্সকে। অঘটন এড়াতে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

ঘটনাস্থলে পৌঁছান ভরতপুরের এসডিপিও বরুণ বৈদ্য, সালারের সিআই সমীরেন্দ্র পাল এবং ভরতপুর থানার ওসি বিশ্বজিৎ মণ্ডলসহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় এক ঘণ্টার উদ্ধার অভিযানের পর ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে বৃদ্ধ দম্পতিকে উদ্ধার করে ভরতপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি; চিকিৎসকরা দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

উদ্ধার পাওয়া নাতি ফারহান জানায়, "দাদু শুয়েছিলেন, দাদি বসেছিলেন। আমি একটা দরজা খুলতেই হঠাৎ পুরো ঘর ভেঙে পড়ে। কোনোমতে বাইরে বেরিয়ে আসি।" এসডিপিও বরুণ বৈদ্য জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুলিশ, দমকল ও দুর্যোগ মোকাবিলা দল উদ্ধারকাজ শুরু করে। ওই বিপজ্জনক বাড়িটি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তর্জাও। পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ দাবি করেছেন, আগের সরকারের আমলে সঠিক সমীক্ষা না করেই আবাসের তালিকা তৈরি করা হয়েছিল, যার ফলে যোগ্য ব্যক্তিরা বঞ্চিত হয়েছেন। তাই এবার প্রকৃত যোগ্যদের সুবিধা নিশ্চিত করতেই আবাসের নাম যাচাইয়ের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ek Jhalak