দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত (গ্রান্ট-ইন-এইড) স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং পঞ্চায়েত ও পুরসভার কর্মীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ওপর ভিত্তি করেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। নবান্ন সূত্রের খবর, বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়াকেই এই মুহূর্তে প্রাধান্য দিচ্ছে অর্থ দপ্তর।
সম্প্রতি অর্থ দপ্তরের কর্তারা বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করে নির্দেশ দিয়েছেন যে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সব দপ্তরকে তাদের বেতন-পোর্টালে (যেমন শিক্ষকদের ক্ষেত্রে IOSMS) বকেয়া বিল প্রস্তুত রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি শেষ হলেই বকেয়া বিল জমা দেওয়ার মূল নির্দেশিকা জারি করা হবে।
উল্লেখ্য, এই বকেয়া মেটানোর প্রক্রিয়াটি 'রোপা ২০০৯' অনুযায়ী বকেয়া পাওনার অংশ। সম্প্রতি ঘোষিত 'রোপা ২০১৯' অনুযায়ী ২০ শতাংশ বর্ধিত ডিএ থেকে এটি সম্পূর্ণ আলাদা। রাজ্য সরকার ইতোমধ্যে মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে নতুন ২০% ডিএ বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে। এর ফলে চলতি ১৮%-এর সাথে যোগ হয়ে সরকারি কর্মচারীরা মোট ৩৮% হারে ডিএ পাবেন, যা অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গেই তাঁদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।
সরকারের এই তৎপরতাকে স্বাগত জানালেও, 'মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতি'র প্রতিনিধি অনিমেষ হালদার দাবি জানিয়েছেন-বকেয়া ডিএ মেটানোর ব্যাপারে যেন রাজ্য সরকার দ্রুত একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করে।

