Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
শ্রীকৃষ্ণের নাম 'কৃষ্ণ' রেখেছিলেন মহর্ষি গর্গাচার্য! জানুন নামকরণের সেই গোপন ইতিহাস

শ্রীকৃষ্ণের নাম 'কৃষ্ণ' রেখেছিলেন মহর্ষি গর্গাচার্য! জানুন নামকরণের সেই গোপন ইতিহাস

এক ঝলক 1 week ago

কংসের ভয়ে গভীর রাতে মথুরা থেকে গোকুলে নিয়ে আসা হয়েছিল সদ্যোজাত শিশুকে। লোকচক্ষুর আড়ালে নন্দরাজার ঘরে বসেছিল নামকরণের গোপন আসর। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মের রাতে প্রবল ঝড়-বৃষ্টির মাঝে মথুরার বন্দিশালার সব দরজা অলৌকিকভাবে খুলে গিয়েছিল। কংসের কারাগার থেকে সদ্যোজাত শিশুকে কীভাবে যমুনা পার করে গোকুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তা অনেকেই জানেন।

তবে এই একরত্তির নাম 'কৃষ্ণ' কে রেখেছিলেন, তা জানতে ফিরে তাকাতে হয় পৌরাণিক ইতিহাসে। দৈববাণী অনুযায়ী দেবকীর অষ্টম সন্তানই কংসের কাল হবে। তাই যশোদা আর নন্দরাজার ঘরে বড় হতে থাকা শিশুটির খবর যাতে মথুরায় না পৌঁছায়, সেদিকে ছিল কঠোর নজর। সামান্য ভুলেও গোটা গোকুল ধ্বংস হতে পারত। ফলে মহাসমারোহে উৎসবের পরিবর্তে সবকিছু গোপনে সারার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নন্দরাজা বার্তা পাঠান যদুবংশের কুলগুরু মহর্ষি গর্গ বা গর্গাচার্যের কাছে। কংসের চরদের সন্দেহ এড়াতে দিনের আলো এড়িয়ে, ছদ্মবেশে এক নিঝুম রাতে তিনি এসে পৌঁছন নন্দরাজার বাড়িতে।

কোনো ঢাক-ঢোলের আওয়াজ ছাড়া, গোশালার পেছনের এক অন্ধকার ঘরে টিমটিমে প্রদীপের আলোয় বসে নামকরণের সেই আসর। প্রথমে রোহিণীর কোল থেকে শিশুটিকে মহর্ষির সামনে আনা হলে তিনি তার নাম রাখেন 'রাম' বা 'বলরাম'। এর পরেই যশোদার কোলে থাকা শ্যামবর্ণের শিশুটির দিকে নজর যায় মহর্ষির। ঋষি নন্দবাবাকে ডেকে মৃদু স্বরে বলেন, এই বালক যুগে যুগে বিভিন্ন রূপে আবির্ভূত হয়েছে এবং এবার সে এসেছে বর্ষার মেঘের মতো স্নিগ্ধ শ্যামল বর্ণ নিয়ে। তাই এর নাম হবে 'কৃষ্ণ'। সংস্কৃতে 'কৃষ্ণ' শব্দের অর্থ শ্যামবর্ণ বা কালো, যার গভীর অর্থ 'সর্বাকর্ষক'। ঋষি গর্গাচার্য সেদিনই নন্দবাবাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, এই বালক সমস্ত বিপদ থেকে মানুষকে উদ্ধার করবে। সেই গোপন রাতের ছোট্ট আয়োজন থেকেই তিনি হয়ে উঠলেন শ্রীকৃষ্ণ। গোকুলবাসীর ভালোবাসায় বাঁধা পড়ে সেই কৃষ্ণই পরবর্তীকালে পরিচিত হন কানহা, গোপাল কিংবা মাখনচোর নামে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ek Jhalak