Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
যন্তর মন্তরের আসল সত্য ফাঁস: 'হাত জোড় করে পালানোর পথ খুঁজছিলেন CJP নেতারা', সোনমের বিস্ফোরক দাবি!

যন্তর মন্তরের আসল সত্য ফাঁস: 'হাত জোড় করে পালানোর পথ খুঁজছিলেন CJP নেতারা', সোনমের বিস্ফোরক দাবি!

এক ঝলক 1 week ago

দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ৪৫ দিন ধরে চলা 'ককরোচ জনতা পার্টি'র (CJP) আন্দোলন বাইরে থেকে শক্তিশালী মনে হলেও, ভেতরে ভেতরে তা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিল। আন্দোলন চলাকালীন সিজেপি নেতৃত্বের মনোবল কতটা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক।

ইউটিউবার প্রখর গুপ্তার দুই ঘণ্টার একটি পডকাস্টে সোনম দাবি করেন, আন্দোলনের অধিকাংশ সময় জুড়েই দলের নেতারা যেকোনো উপায়ে সেখান থেকে সম্মানজনকভাবে বেরোনোর পথ খুঁজছিলেন।

তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তরুণদের নিয়ে এই আন্দোলনের সূচনা হয়। টানা ২৬ দিন অনশন করে আন্দোলনের মূল মুখ হয়ে উঠেছিলেন ৫৯ বছর বয়সী সোনম ওয়াংচুক। তিনি জানান, সিজেপি দলের প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অভিজিৎ দিপকে, সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস সহ মূল নেতৃত্বের রাজনৈতিক মানসিকতার অভাবেই আন্দোলনের গতি বারংবার ব্যাহত হচ্ছিল।

সোনমের মতে, অনশনের প্রথম ৮-৯ দিন জমায়েত ভালো থাকলেও, ধীরে ধীরে ভিড় কমতে শুরু করে। এর সঙ্গেই সিজেপি নেতৃত্বের আত্মবিশ্বাস তলানিতে গিয়ে ঠেকে। এমনকি দলের শীর্ষ নেতারা হাত জোড় করে সোনমকে বলেন, "স্যার, আমরা এবার যেতে চাই। কীভাবে এই আন্দোলন শেষ করে বেরোনো যায়, তার পথ বের করুন।" এমনকি বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর প্রসঙ্গ তুলে আনার নেপথ্যেও ছিল আন্দোলন থেকে কেটে পড়ার পরিকল্পনা।

তবে ২০ জুলাইয়ের মোড় পুরো পরিস্থিতি বদলে দেয়। ১৮ জুলাই পুলিশ সোনমকে জোরপূর্বক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি দেশবাসীকে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। ২০ জুলাইয়ের সংসদ অভিযানে পুলিশি বাধা ও সংঘাতের পরেই আন্দোলনে নতুন করে গতির সঞ্চার হয়। তার আগে পর্যন্ত সিজেপি নেতারা ধরে নিয়েছিলেন, এই প্রতিবাদ থেকে আর কোনো ইতিবাচক ফল আসা সম্ভব নয়।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ek Jhalak