বলিউডের দাপুটে অভিনেত্রী লलिতা পাওয়ারের পর্দার নেতিবাচক ইমেজ দেখে একসময় কাঁপত গোটা ইন্ডাস্ট্রি। তবে এই 'ক্রুর' ইমেজের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক মর্মান্তিক সত্য। ১৯৪২ সালে 'জং-এ-আজাদি' ছবির শুটিং চলাকালীন একটি দৃশ্যে অভিনেতা ভগবান দাদা ললিতাকে এতটাই জোরে চড় মারেন যে, তাঁর চোখের শিরা ছিঁড়ে যায়।
এই ঘটনায় তাঁর কানের পর্দাও ফেটে যায় এবং ভুল চিকিৎসার কারণে তাঁর শরীরের একপাশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল।
৯ বছর বয়স থেকে অভিনয় শুরু করা ললিতা প্রায় ৭০০-এর বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। এক সময়ের প্রধান নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন দেখা এই অভিনেত্রীর কেরিয়ার ওই একটি চড়েই চিরতরে বদলে যায়। সুস্থ হয়ে ফেরার পর তাঁর মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তিনি আর নায়িকার চরিত্রে সুযোগ পাননি। পরবর্তীতে रामानंद সাগরের 'রামায়ণ'-এ মন্থরা এবং রুপালি পর্দায় কুটিল শাশুড়ির চরিত্রে অভিনয় করেই তিনি বিনোদন জগতে অমর হয়ে আছেন।

