Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Ashok Lavasa                                                                                    বিশ্বাসযোগ্যতা ফেরাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে

Ashok Lavasa বিশ্বাসযোগ্যতা ফেরাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে

অশোক লাভাসাবিষয়টি খুবই গুরুতর। দেশের ভোটারদের মতাধিকার রক্ষায় এত গুরুতর চিন্তায় কখনো পড়তে হয়নি যা গত ১৬ মাসে হয়েছে। এসআইআর'র পদক্ষেপের কারণেই এই পরিস্থিতি। অতীতেও নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকার সংশোধন নানা নামে করেছে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ও রেজিস্ট্রেশন অব ইলেকটোরাল রুলস ১৯৬০ অনুসারে।

কিন্তু কখনোই ভোটার তালিকা সংশোধনের সময়ে মানুষের এমন দুশ্চিন্তা হয়নি। এবার হয়েছে, কারণ নির্বাচন কমিশন ২৪ জুন, ২০২৫ একটি নোটিফিকেশন জারি করে। তাতে এসআইআর নামের যে প্রক্রিয়া ও মনোভাব কমিশন দেখিয়েছে সেটা মানুষকে ভাগ করার উদ্দেশ্য প্রমাণিত হয়েছে।
এই প্রক্রিয়ায় বিহারে ৭ কোটি ৮৯ লক্ষ মানুষকে তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। যারা ১৯৮৭ সালের আগে জন্মেছে, যারা সেই সময় থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে জন্মেছে এবং যারা তার পরবর্তী সময়ে জন্মেছে। এই প্রতিটি ক্যাটাগরির মানুষদের আলাদা আলাদা নথি পেশ করতে বলা হয়। এই ৭ কোটি ৮৯ লক্ষ মানুষকে তিন ভাগে ভাগ করার কারণ কী? কারণ ভোটার তালিকাকে নাগরিকত্ব আইনের অনুসারী করতে চাওয়া হয়েছে। এটা অতীতে কখনো কোনও কমিশন করেনি। এরপরে নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় বিহারের ২০০৩ সালের ভোটার তালিকায় যাদের নাম নেই তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়, যতক্ষণ না তারা প্রমাণ দাখিল করছে।
এটা ভারতের নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘদিনের মনোভাবের বিপরীত। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ দেশকে প্রথম নির্বাচন কমিশনার উপহার দিয়েছিল, তিনি ছিলেন সুকুমার সেন। সংবিধান গৃহীত হওয়ার পরেই তিনি ১৯৫০ সালের মার্চে নির্বাচন কমিশনার হয়েছিলেন। তার আগে তিনি বাংলার মুখ্যসচিব ছিলেন। তিনি মনে করেছিলেন যে ভারতের সংবিধান সব নাগরিকদের অর্থাৎ যারা ভারতে জন্মেছে এবং তৎকালীন সময়ে ২১ বছরের বয়সি বেশি তাঁদের সবার নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হওয়ার যোগ্য। সংবিধান তাঁদের এই সুযোগ দিয়েছে। সংবিধানের ৩২৪ ধারা অনুসারে যারা ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য তাদের সবাইকে ভোটার তালিকায় শামিল করার দায়িত্ব এই সংবিধানই নির্বাচন কমিশনকে দিয়েছে। নইলে এই মানুষজন ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে কী করে! সুকুমার সেন দেড় বছর ধরে রাজ্যে রাজ্যে ঘুরে বহু পরিশ্রম করে এই তালিকা বানিয়েছিলেন। যত বেশি সংখ্যক মানুষকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করাই ছিল তাঁর লক্ষ্য। দুঃখের কথা, আজকের নির্বাচন কমিশনের কাছে তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়াকেই প্রাথমিকতা দেওয়া হচ্ছে স্রেফ সন্দেহের বশে। অতীতে যে কমিশনের মনোভাব নাগরিকবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ছিল, তা এখন পালটে গেছে।
বিহারের পরে আরও ১২ রাজ্যে নির্বাচন কমিশন এসআইআর করেছে। কিছু কিছু নিয়ম বিধি পালটেছে, সুপ্রিম কোর্টের কিছু হস্তক্ষেপ হয়েছে। কিন্তু যে পদ্ধতি দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে আনা হয়েছে তা ভোটারদের পক্ষে আরও বিপজ্জনক হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে তা দেখেছেন। এ রাজ্যে ৬০ লক্ষ মানুষকে খসড়া ভোটার তালিকায় অ্যাডজুডিকেশনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও খসড়া তালিকায় অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, একাধিক জায়গায় নাম থাকা ও মৃত মানুষের নাম বাদ গেছে। এর বাইরেও ৬০ লক্ষ মানুষকে অ্যাডজুডিকেশনে পাঠানো হয়েছে। দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ছিল নির্বাচন কমিশনের। সঠিক ভোটার তালিকা বানানো এবং সঠিক সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা। যখন তারা বুঝতে পারে যে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে এ কাজ করার মতো সময় ও ব্যবস্থা তাদের হাতে নেই, তখনও তারা নজর দেয়নি। বরং সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে ৭০০ জন বিচারবিভাগীয় অফিসারকে নিয়োগ করেছে নিষ্পত্তির জন্য। তাঁদের পক্ষেও একাজ মোটেই সহজসাধ্য ছিল না।
কেন এই প্রক্রিয়া ভুল ছিল? কারণ, নির্বাচন এসআইআর প্রক্রিয়ায় কমিশন লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি চাপায়, যা বিভ্রান্তিকর ও অস্বচ্ছ। এর নির্দিষ্ট মাপকাঠি কী কী তা এখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি। কোনও কারণে ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকায় বয়সের সঙ্গতি না থাকলে তাও লজিক্যাল ইনডিসক্রিপেন্সি? প্রমাণ করতে হবে সেই ব্যক্তিকেই যে তিনিই সেই ব্যক্তি! অন্য রাজ্যে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি চাপানো হলেও পশ্চিমবঙ্গের মতো এত ব্যাপক মানুষ বাদ যায়নি। পশ্চিমবঙ্গের ২৭ লক্ষ মানুষকে অ্যাপিলেট ট্রাইবুনালে যেতে বলা হয়। নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে নির্বাচন কমিশন বলছে, এর মধ্যে ২২.৫ লক্ষ ব্যক্তি আবেদন করেছেন ট্রাইবুনালে। এর মধ্যে ১.২৬ লক্ষ কেস নিষ্পত্তি হয়েছে যার ৯৩ শতাংশই বৈধ ভোটার, নাম ফেরানো হয়েছে। তাহলেই বুঝুন কীভাবে মানুষের ভোটদানের অধিকার কাড়া হয়েছে।
এই অবস্থায় সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, কি হয়েছে একবার ভোট দিতে না পারলে? ভোট তো পরেরবারও দিতে পারবেন। এটা খুবই হতাশাজনক। যে বিচারবিভাগকে গড়ে তোলা হয়েছে নাগরিকদের অধিকার রক্ষার জন্য তারাই ক্যাজুয়াল মনোভাব নিয়েছে!
পশ্চিমবঙ্গের আরেকটা বৈশিষ্ট্য হলো, ১৬.৫ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে অন্তর্ভুক্ত হওয়া ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য। এটা আরেকটা বিতর্ক তৈরি করেছে। ভারতের নির্বাচন কমিশনের সুনাম খুবই জোরদার ছিল, তারা আজ এমন বিতর্কে যে মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করছেন। এই পরিস্থিতি হলো কেন?
গত ২৩ সেপ্টেম্বর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস একটি তদন্তমূলক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে, খুবই চিন্তাজনক বিষয়। প্রথমত, নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য অভিযোগ করেছেন এক বছর ধরে কমিশনের বৈঠকের কোনও অ্যাজেন্ডা ও মিনিটস জারি করা হয়নি। চার মাস কোনো মিটিং হয়নি। অথচ নির্বাচন কমিশনের কাজের আইনে বলা আছে, কমিশনকে হয় সর্বসম্মতভাবে অথবা সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কিন্তু মিনিটস না থাকলে কী করে তা বোঝা যাবে? এর ফলে মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি হবেই। এটা নিয়ে এখনও কোনও গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা কমিশনের থেকে পাওয়া যায়নি।
দ্বিতীয়ত, কমিশনের দুই সদস্যই প্রশ্ন তুলেছেন, ১৬.৫ লক্ষ আবেদন যা ভোটারদের নাম বাতিলের জন্য করা হয়েছে তা কারা করেছে? এই আবেদনের অধিকার কাদের দেওয়া হয়েছিল? কমিশন নিজে করেছে নাকি কাউকে অথরাইজড করা হয়েছে? কাকে? কারণ ভারতের ইতিহাসে কখনো কোনও একটি রাজ্যে ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পরে এমন ব্যাপক সংখ্যায় আবেদন জমা পড়েনি। এটা সন্দেহের অবতারণা করছে।
তাছাড়াও গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ফরম ৬ নিয়ে। ভোটার তালিকায় প্রথমবার নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বা এক নির্বাচনী এলাকা থেকে অন্য এলাকায় নাম স্থানান্তরের জন্য রেজিস্ট্রেশন অব ইলেক্টর্স রুলস, ১৯৬০-এর অধীনে ফরম ৬ হলো একটি ''আবেদনপত্র''। এতে আবেদনকারীদের তাদের পরিচয়, জন্ম তারিখ এবং বাসস্থান সংক্রান্ত বাধ্যতামূলক বিবরণ দেওয়ার পাশাপাশি নাগরিকত্ব এবং জন্মস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা প্রদান করতে হয়। তাদের অবশ্যই ঘোষণা করতে হবে যে তারা অন্য কোনও নির্বাচনী এলাকার ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করেননি এবং নাম স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী নিবন্ধনের বিবরণ প্রদান করতে হয়। আবেদনকারীদের অবশ্যই প্রদত্ত তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে হবে এবং এটি স্বীকার করতে হবে যে মিথ্যা তথ্য দেওয়া জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৫০-এর ৩১ নম্বর ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাদের যোগ্যতা প্রমাণের জন্য অন্য কোনও কিছুর প্রয়োজন নেই। তা সত্ত্বেও, নির্বাচন কমিশনের ২০২৫ সালের ২৪ জুনের বিজ্ঞপ্তিতে, যার মাধ্যমে এসআইআর ঘোষণা করা হয়েছিল, তাতে ফরম ৬ বা ফরম ৮-এর সাথে একটি ডিক্লারেশন ফরম (অ্যানেক্সার ডি) পূরণ করার কথা বলা হয়, যা বিজ্ঞপ্তির ৪ এবং ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লেখ ছিল। এই ঘোষণায় আবেদনকারীদের জন্মের দেশ অনুযায়ী শ্রেণিবদ্ধ করেছিল, যা নাগরিকত্ব আইনের বিধানগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং তাদের নাগরিকত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য নথিপত্র জমা দিতে বাধ্য করেছিল। এটি রুলস বা নিয়মের বাইরে গিয়ে করা হয়েছিল।
যেহেতু এই ফরম ৬ ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রশন রুলসের একটি অংশ, আইন অনুসারে তা বদলের অধিকার কেবল সরকারের। নির্বাচন কমিশন তা কী করে বদলালো? কমিশন এখন নিজেই মানছে এটা বেআইনি। এখন সন্দেহ ও প্রশ্ন কমিশনের ভিতর থেকেই এসেছে। কমিশনের ফরম ৬ পরিবর্তন করে অতিরিক্ত একটি ডিক্লারেশন যুক্ত করার অধিকারই নেই, তাহলে বদলালো কী করে? যে সব রাজ্যে এসআইআর হয়েছে সেখানে পুরানো ফরমই বহাল রাখার কথা এখন বলা হয়েছে। অর্থাৎ কমিশন ফরম ৬ বদলানোর কথা কবুল করেছে, কিন্তু এর পিছনে উদ্দেশ্য কী ছিল?
আরেকটা বিতর্ক হলো, ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের ইসিআই নেট'এ অ্যাকসেস দেওয়া অথবা না দেওয়া নিয়ে। কমিশন পুরো ভোটার ডেটা ব্যবস্থার কেন্দ্রীকরণ করেছে। সেটা করতেই পারে, তাতে অসুবিধা নেই। কিন্তু অনেক ইআরও অভিযোগ করেছেন যে তাঁদেরই জানা নেই, তাঁদের নামে কীভাবে নোটিস ইস্যু করা হয়ে গিয়েছে। তার মানে এমন কেন্দ্রীভূত সফটওয়্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ঠিক করছে এবং নোটিস জারি করছে। আইন অনুসারে এই কাজ কেবলমাত্র ইআরও করতে পারেন তার নিজের সন্তুষ্টি অনুসারে।
গোয়া থেকে ইআরও নির্বাচন কমিশনকে ৮টি ইমেইল করেছেন এটা জানিয়ে যে তিনি ৯৭জন ব্যক্তিকে পেয়েছেন যারা তালিকায় অন্তর্ভুক্তির যোগ্য। কিন্তু তিনি ইসিআই নেটে অ্যাকসেস করতে পারছেন না তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে। এইরকম ব্যবস্থা কাঠামো তৈরি করা হয়েছে যাতে ইআরও অ্যাকসেস করতে পারছেন না, যাকে আইন দায়িত্ব দিয়েছে এ কাজ করার। কেন নির্বাচন কমিশন এই কাঠামো তৈরি করেছে?
পশ্চিমবঙ্গের আপিল ট্রাইব্যুনাল পরিচালনাকারী ১১জন বিচারক কমিশনকে অভিযোগ করেছেন যে সফটওয়্যারের প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে তাঁরা তাঁদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাজ করতে পারছেন না। মহারাষ্ট্রের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও বেশ কিছু খামতি তুলে ধরে চিঠি লিখে অভিযোগ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, যদি কোনও ইআরও কোনও ব্যক্তির সব নথি দেখে সন্তুষ্ট হন এবং শুনানিতে ডাকার প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন, তাহলেও সফটওয়্যার তাঁকে কেবল দুটি অপশন দিচ্ছে- হয় শুনানিতে ডাকো, নইলে ডিলিট করে দাও। বিচিত্র কথা! তিনি আরও বলেছেন, যে ১৩টি ডকুমেন্ট কমিশন নির্দিষ্ট করেছে, তার বাইরেও ইআরও যদি কাউকে তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য যোগ্য বলে সন্তুষ্ট হন তাহলেও তিনি সিস্টেমে তা করতে পারছেন না। এরকম বহু সমস্যা রয়েছে বলে মহারাষ্ট্রের সিইও দেখিয়েছেন। আইন অনুসারে ইআরও'ই একমাত্র অধিকারী ব্যক্তি যিনি ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্তি কিংবা বাতিল করতে পারেন। সেটা ডিইও বজায় রাখতে পারেন বা বাতিল করতে পারেন, আদালতেও তা গড়াতে পারে। কিন্তু ইআরও তো কোনও কাজই করতে পারছেন না। এটা পুরো বেআইনি প্রক্রিয়া হচ্ছে। দেখা যাক সুপ্রিম কোর্ট এটা নিয়ে কী করে।
ভারতের মানুষ ৭৫বছর ধরে যে নির্বাচন কমিশনের ওপরে ভরসা রেখেছেন, যে কমিশন সারা দুনিয়ায় খ্যাতি অর্জন করেছিল নির্বাচন পরিচালনায় স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করে, তার বিরুদ্ধে আজ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। খেলায় আম্পায়ার এবং তাঁর নিরপেক্ষতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নইলে বিজয়ীর জয় নিয়েও প্রশ্ন উঠে যাবে। আমার মনে হয়, নির্বাচন কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা ও মানুষের ভরসা পুনরুদ্ধার করা এই মূহূর্তে অত্যন্ত জরুরি।
(প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার ও ভারত সরকারের প্রাক্তন অর্থ সচিব অশোক লাভাসা গত ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ কলকাতায় নাগরিক মঞ্চের আহ্বানে অনুষ্ঠিত নাগরিক কনভেনশনে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগদান করে যে ভাষণ দিয়েছেন তার সম্পাদিত অংশ।)

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ganashakti