Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Bairatiguri High School                                                                                    স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে বন্ধ মিড-ডে মিল, বঞ্চিত পড়ুয়ারা

Bairatiguri High School স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে বন্ধ মিড-ডে মিল, বঞ্চিত পড়ুয়ারা

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যখন পড়ুয়াদের স্কুলমুখী করতে পুষ্টিযুক্ত খাদ্যের জন্য প্রকল্পের সূচনা করলেন ঠিক তখন মিড ডে মিলের খাবার পেল না পড়ুয়ারা। জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি পৌরসভার অন্তর্গত বৈরাতিগুড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের ঘটনা। মূলত মিড ডে মিলের দায়িত্বে থাকা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ এবং ব্যবস্থাপনার গোলযোগের কারণেই মাসের প্রথম দিন মিড-ডে মিলের খাবার পেলেন না পড়ুয়ারা।

সকাল থেকে অনবরত বৃষ্টির মধ্যেই বিদ্যালয় এসেও খাবার না খেয়ে বাড়ি ফিরলো পড়ুয়ারা।
জানা গেছে, বৈরাতিগুড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের মিড ডে মিলের রান্নার দায়িত্বে দুটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। সম্প্রতি আরও একটি গোষ্ঠীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর এদিন সম্প্রতি দায়িত্ব পাওয়া স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা এবং পুরনো স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা মিড ডে মিলের রান্না করতে আসলে বিরোধ বাধে।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক বাবুলাল মজুমদার বলেন, ''মিড-ডে মিলের রান্নার জন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠী নিয়োগ ও পরিচালনা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই দ্বন্দ্ব চলছে। পুরনো ও নতুন টিমের মধ্যে কাজের সময়সীমা নিয়ে আলোচনার কথা থাকলেও, পুরনো টিম বৈঠকে বসেনি এমনকি মিড-ডে মিলের ঘরের চাবি নিয়ে বাড়ি চলে যায়। যার জেরে নতুন টিমের সাথে সামান্য কথা কাটাকাটি ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে স্কুল কর্তৃপক্ষ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এসআইয়ের সাথে যোগাযোগ করেন। এরপর এসআইয়ের নির্দেশ মতো স্থানীয় পৌরসভাতেও পুরো বিষয়টি জানানো হয়। এসআইয়ের পরামর্শ অনুযায়ী, যেহেতু পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করেছিল এবং প্রবল বৃষ্টির কারণে এদিন ছাত্র- ছাত্রীদের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল, তাই সাময়িকভাবে মিড-ডে মিলের কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।''

এবিষয়ে পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার অমিত রায় বলেন, ''এদিন মিডডে মিলের রান্না হয়নি। আমরা একটা সিদ্ধান্ত দিয়েছিলাম। সেটা না মেনে ওরা নিজেদের মধ্যে ঝামেলা করেছে। তবে আগামী সোমবার যাতে ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চিত না হয় সেটা দেখা হবে।''
এদিকে এদিনের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে স্কুল ইন্সপেক্টরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন তোলেননি। জলপাইগুড়ি জেলার মিড ডে মিলের আধিকারিক সুমা বড়াল বলেন, কোন ভাবেই ছাত্র-ছাত্রীদের মিড ডে মিল বন্ধ করা যায় না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ganashakti