Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
BJP in BENGAL                                                                                    বিজেপি শাসনে হিন্দুরাই নাকি বিপদে

BJP in BENGAL বিজেপি শাসনে হিন্দুরাই নাকি বিপদে

শান্তনু চক্রবর্তীবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভয়ের রাজত্ব 'আউট' বা 'আহত অবসৃত' হয়ে বিজেপি জমানার 'ভরসা-ফুর্তি' সবে শুরু হয়েছে। তার কয়েক দিনের মধ্যেই সমাজ মাধ্যমে একটা ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। গেরুয়া পাঞ্জাবি-তিলক-ফেট্টিধারী কিছু লোক, কোনও একটি গৃহস্থ বাড়িতে ঢুকে তড়পাচ্ছে।

আর উঠোনে তুলসী মঞ্চ বা‍‌নিয়েছে অথচ গাছে জল দেন না। সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালান না। কেমন সনাতনী আপনারা। চলুন তো, আপনাদের ঠাকুরঘরে দেখি তো কুলদেবতারা ঠিকঠাক জল-প্রসাদ পাচ্ছেন কি না! মনে রাখবেন, বাংলা এখন 'হিন্দু-রাজ্য'- ক্ষমতায় সনাতনী সরকার। সনাতনী রীতি রেওয়াজের এতটুকু অন্যথা বরদাস্ত করা হবে না।
স্বঘোষিত সনাতনী সংরক্ষকেরা বিনা অনুমতিতে এক হিন্দু পরিবারের ব্যক্তিগত পরিবারে ঢুকে হুজ্জতি করছে। পরিবারের তরফ থেকে সেটা চুপচাপ মেনে নেওয়া হয়নি। তাঁরা সাধ্যমত প্রতিবাদ করেছেন। ভিডিওতে শেষ অবধি আমরা বাহিনীটিকে ‍পিছু হটতেই দেখি। ঘটনাটির স্থান-কাল ভিডিওটি'র সত্যতা, কোনোটাই আমাদের পক্ষে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে সকালের আকাশ যেমন সারাদিনের আবহাওয়ার একটা পূর্বাভাস দেয়- তেমনই এই ভিডিও-র ন্যারেটিভটাকে সত্যি মানলে ডবল ইঞ্জিন সরকার যে শুধু ধর্মের জ্বালানিতেই চলবে, সেটার আভাস তখনই পাওয়া গিয়েছিল। বোঝা গিয়েছিল, 'বিপন্ন হিন্দুদের' উদ্ধারকর্তা সেজে যারা একটা আস্ত সরকার দখল করে ফেলল, এই রাজ্যের বাংলাভাষী হিন্দুদের জন্য তারা কতোটা খতরে বা বিপদ হয়ে উঠতে পারে। প‍‌শ্চিমবঙ্গের বাঙালি হিন্দু চিরকালই স্বাধীনভাবে, নিজের ইচ্ছে-ক্ষমতা-সামর্থ্য মাফিক ধর্ম পালন করে এসেছেন। কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি। কোনও বার্তা বা আশঙ্কার প্রশ্নই ওঠেনি। কিন্তু এইবার হয়তো চাপ বাড়তে চলেছে। উত্তর ভারতীয় হিন্দি-হিন্দু-হিন্দুস্তানের মডেল অনুযায়ী যথার্থ ও যথেষ্ট 'হিন্দু' হয়ে ওঠার চাপ।
আসলে হিন্দুত্ববাদী বাহিনীটির বহুকালের পছন্দের একটা কৌশলই হলো, সাধারণ শান্তিপ্রিয় হিন্দু জনগণের হীনমন্যতাকে উসকে দিয়ে, তাঁদের উগ্র সাম্প্রদায়িক সংঘাতের পথে নিয়ে আসা। রামম‍‌ন্দির আন্দোলনের শুরুর দিকে উমা ভারতী, সাধ্বী ঋতাম্ভরাদের ভাষণে প্রায়ই বলা হতো, ইতিহাসের এমন অবিচার, হিন্দুধর্মের এমন অবমাননা (মানে রামচন্দ্রের জন্মস্থানে বাবরি মসজিদের নির্মাণ!) দেখেও যেসব হিন্দুদের শিরায় শিরায় রক্ত টগবগ করে ফোটে না, তাঁরা আসলে হিন্দুই নন। তাঁদের শরীরেও রক্তস্রোত নয়, স্রেফ ঠান্ডা জলের নালা বইছে। এই প্ররোচনার ফলাফল কী হয়েছিল, আমরা শেষ অবধি সেটা দেখেছি। অন্যদিকে বাঙালির হিন্দুর রকম-সকম, হাবভাব, চালচলন নিয়ে সঙ্ঘ পরিবার কখনই খুব নিশ্চিন্তে থাকতে পারে না। তার একটা বড় কারণ হিন্দু বাঙালির সাংস্কৃ‍‌তিক ঐতিহ্য। বাঙালি হিন্দুর ধর্নীয় সাংস্কৃতিক 'আইকন' বা স্মারক যাঁরা সেই চৈতন্যদেব থেকে শুরু করে রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ অবধি সকলই এক ধরনের সম্প্রীতি নিবিড় ভক্তিবাদের কথাই বলেছেন। সেই ঐতিহ্য বাঙালির হিন্দুয়ানিকে রাতারাতি স্বয়ং সেবকের উর্দি পরিয়ে নাগপুরে উগ্র যুদ্ধবাজ সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদের রাজপথে কুচকাওয়াজ করানোটা একটু কঠিন।
তাই বাঙালির নরম-গরম ভক্তি-মিলন-বৈচিত্র প্রয়াসী ধর্মাচরণকে কঠিন-কঠোর একপেশে হিন্দুত্বের সুপথে আনার চেষ্টাটা অনেকদিন ধরেই জারি আছে। না, এটা শুধু কোনও গোদি মিডিয়ার বাচাল সঞ্চালকের 'কিসের কুসুম, কিসের কুসুম' বলে বাংলার আবহমান ‍‌হিন্দু-মুসলিম সম্প্রী‍‌তির আবহকে বিষিয়ে দেওয়ার চেষ্টা নয়। কিংবা রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা হিসাবে যখন ছিলেন, 'সব কা সাথ' চাই না বা 'সবার বিকাশ নিয়ে মাথাব্যথা নেই' গোছের মন্তব্য ছোঁড়েন, সেখানেও আসলে অন্য একটা বার্তা দেওয়ার চেষ্টা থাকে। সেটা হলো, সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতা বা সমানাধিকার, এসব ব্যাপার দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর অত মাথা ঘামানোর দরকার নেই। তাঁরা নিজেদের আগে সংহত ও সংগঠিত করুন। কেন্দ্রে এখন এমন একটি সরকার আছে, যারা সংবিধানের অনুচ্ছেদের চেয়েও হিন্দুদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকারকে অনেক বেশি মান্যতা বা গুরুত্ব দেবে।
বিধানসভা নির্বাচনে অনেক আগে থেকেই বাংলার হিন্দু জনসাধারণের কাছে এই বার্তাটা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছিল। তাঁদের প্রতিবেশী, সহনাগরিক সংখ্যালঘু লোকজনের প্রতি বেশি প্রীতি বা সহমর্মিতা দেখানোর দরকার নেই। কারণ এদের অনেকেই হয়তো বেনাগরিক বা অনুপ্রবেশকারী। জাল নথিপত্রের সুবাদে এদেশে বাস করছে, ভোট দিচ্ছে, প্রকৃত হিন্দু নাগরিকদের প্রাপ্য নানা সামাজিক প্রকল্পে ভাগ বসাচ্ছে। আর যাঁদের বৈধ কাগজপত্র আছে, যাদের ভারতীয় তথা নাগরিকত্ব সব প্রশ্নের ঊর্ধ্বে, তাঁরাও বিশ্বাসযোগ্য নন। কারণ তাঁরা নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হিন্দুদের নিজভূমে পরবাসী করতে চাইছেন। অনিয়ন্ত্রিত বংশবৃদ্ধি ঘটিয়ে রাজ্যের জনপরিসংখ্যান পালটে দিতে চাইছেন। ভোট-জেহাদ, জমি-জেহাদ, লাভ-জেহাদ করে নিজেদের দখলদারি কায়েম করে শ্যামাপ্রসাদের স্বপ্নের পশ্চিমবঙ্গকে 'পশ্চিম বাংলাদেশ' বানাতে চাইছেন। হিন্দু-সনাতনীদের তাই নিজেদের স্বাতন্ত্র্য ও স্বাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ইসলামপন্থীদের মূল নাগরিক প্রবাহ থেকে বিচ্ছিন্ন ও বিযুক্ত করতে হবে। সাংবিধানিক কর্তব্যের চেয়েও 'সনাতনী নাগরিকের দায়িত্ব' পালনে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
নির্বাচনী প্রচারের সময়েই ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গবাসীকে মোটামু‍‌টি আশ্বস্ত করা হয়েছিল, বিজেপি সরকার এলে, সংখ্যালঘুদের যথাযথ 'ব্যবস্থা' করা হবে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার 'দিনের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী যখন তাঁকে জয়ী করার জন্য ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের হিন্দু ভোটারদের অভিনন্দন জানালেন কিংবা কাশীপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রের বিজয়ী বিধায়ক প্রকাশ্যে জানিয়ে দিলেন, নি‍‌জের কেন্দ্রের সংখ্যালঘু বাসিন্দাদের তিনি কোনোরকম পরিষেবা দেবেন না। তখনই বোঝা গিয়েছিল অন্তত এই একটা বিষয়ে বিজেপি তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালনে বদ্ধপরিকর। কুরবানির ওপর কৌশলে সরকারি নিষেধাজ্ঞা চাপানো, রেডরোডে ঈদের নমাজ বন্ধ করে দেওয়া, অথচ প্রধানমন্ত্রীর যোগাভ্যাসের জন্য সেই রেড রোডই হপ্তাভর বন্ধ করে দেওয়া এবং এবার থেকে এটাই 'নিত্ত নর্মাল' বলে গোদি মিডিয়ার সগর্ব আস্ফালন প্রমাণ করে দেয়, সরকার ঠিক আইনে চলছে। আপনি যদি উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গ অবধি ঘটনাবলী 'ক্রোনোলজি' বুঝবার চেষ্টা করেন, তাহলে ব্যাপারটা আরও পরিষ্কার হবে। উত্তরবঙ্গের কোচবিহারে গৈরিকদের গণ-পিটুনিতে এক গোরুর ব্যবসায়ীর মৃত্যু, উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরে লাভ-জেহাদের অভিযোগে দুটি ভিন্ন সম্প্রদায়ের যুবক-যুবতীকে মারধর, বারুইপুরে নাবালিকার গণধর্ষণ ও হত্যায় অভিযুক্তদের আরএসএস-বি‍‌জেপি যোগ সামনে আসার পরেই প্রতিবাদীদের 'সাম্প্রদায়িক-জেহাদি' বলে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা, সোনারপুরে স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নির্মীয়মাণ চার্চে হামলা ও পবিত্র ক্রুশ উপরে ফেলে দেওয়া-এই সবগুলো ঘটনাই সমন্বিতভাবে একটাই ন্যারেটিভ নির্মাণ করতে চায়। পশ্চিমবঙ্গে সব ধরনের সংখ্যালঘু প্রান্তিক মানুষের ধারাবাহিকভাবে বিপন্ন করে তোলাটাই এখন সরকারি কার্যক্রম।
এখন কথা হলো, 'সন্দেহভাজন' সংখ্যালঘু প্রতিবেশীদের এই বিপন্নতা বাঙালি হিন্দুর নিরাপত্তা কতদূর নিশ্চিত করতে পারছে? আমরা, বিজেপি-কে বিশ্বাস করে, বুলডোজারের ধাক্কায় মাথার ওপর ছাদ ও জীবিকা হারানো, শিয়ালদহ-যাদবপুর-হাবড়া-অশোকনরের হিন্দু হকারদের প্রসঙ্গে কিছু বলছি না। আমরা দেশের আইনকানুন মান্যকারী, সরকার-নির্ভর, সাধারণ হিন্দু জনগণের কথা বলছি, যাঁরা 'আইনের শাসন' প্রতিষ্ঠার জন্য বিজেপি-কে ঢেলে ভোট দিয়েছিলেন। সরকার যখন স্কুল-কলেজে-বিশ্ববিদ্যালয়ে পশ্চিমবঙ্গের তথাকথিত 'রূপকার' শ্যামাপ্রসাদের জন্মদিন পালন বাধ্যতামূলক করে দেয় যোগ-দিবসে দূর-দূরান্ত থেকে শিশুদের ভোর রাতে উঠে, নিজেদের ব্যবস্থাপনায় মোদীজীর ব্যায়ামের ক্লাসে যোগদানটা অবশ্য-পালনীয় কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়, জনগণ হয়তো সেটুকু হিন্দুরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার খাজনা হিসাবে ধরে নেন। রাজনৈতিক বা রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে যোগদিবস পালন নিয়ে দার্শনিক অরিন্দম চক্রবর্তীর সমালোচনাকেও আমরা নাহয় বিজেপি বিশ্ববিদ্যালয়ের এলিট বুদ্ধিজীবীর বৌদ্ধিক কাগুজে সংলাপ হিসাবে সরিয়েই রাখলাম। ধরে নিলাম নরেন্দ্র মোদীজিই ঠিক। ভারতীয় দার্শনিক ঐতিহ্য মোতাবেক যোগাভ্যাসকে হৃদয়ে-হৃদয়ে সংযোগা বা 'অন্তর হতে বিদ্বেষ-বিষ' নাস করার আয়ূধের বদলে প্রধানমন্ত্রীজি যে সেটাকে রাজনীতির উপকরণ, সাংস্কৃতিক জানা তথা গিনেস-এর রেকর্ড বইয়ে নাম তোলার যন্ত্র হিসাবে ব্যবহার করেছেন, তাতে হয়তো বিশ্ব-বাজারে দেশের পরিচিতি বেড়েছে!
তবে প্রাচীন যোগ-সাধনার আধুনিক করপোরেট গ্লোবাল বিপণনে ছাপোষা হিন্দু বাঙালির হয়তো তেমন আশঙ্কার কিছু নেই। দেশের যেসব রাজ্যে বিজেপি-রাজ বা হিন্দু-শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে, সেখানে রাজধর্মের একটা নিজস্ব পালনীয় ছক বা 'প্যাটার্ন' আছে। রাজ্য বিশেষে সেখানে কিছু কিছু সংযোজন বর্জন হয়। বাঙালি হিন্দুও আশা করি, বুলডোজার-এনকাউন্টার-বন্দেমাতরম-এর বৃষ্টি-অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ধর্মান্তর প্রতিরোধ আইন পাশ নিয়ে নিয়মিত ডন-বৈঠকের রাষ্ট্রবাদী হিন্দুত্বের প্যাকেজিং-এ মোটামুটি অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। তখন গোপালবাবু ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে দেশপ্রেমিক এবং নেতাজী সুভাষের গুন্ডাদলের সর্দার ভাবলে হয়তো তত অস্বস্তি হবে না দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হিন্দু মহাসভা আজাদ হিন্দ ফৌজ বানিয়ে নেতাজীকে উপহার দিয়েছিলেন, এসব কথা শুনলে অতটা মাথা গরম হবে না। পাঠক্রমে হয়তো ক্রমশ, উগ্র-জাতীয়তাবাদ ও ব্রাহ্মণ্যতন্ত্রের তীব্র বিরোধী রবীন্দ্রনাথের গুরুত্ব কমানো। বঙ্কিমচন্দ্রের শুধুমাত্র 'আনন্দমঠ'-ই অবশ্য পাঠ্য হবে। তিনি যে কখনো 'কমলাকান্তর দপ্তর' বা 'সাম্য'-র মতো প্রবন্ধ লিখেছিলেন-নির্মোহ সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পুরানের কৃষ্ণ-চরিত্রের বিশ্লেষণ করেছিলেন- 'বঙ্গদেশের কৃষক' প্রবন্ধে একই সঙ্গে হাসিম শেখ ও রামা কৈবর্তের যৌথ সঙ্কট ও সংগ্রামের ছবি এঁকেছিলেন- সেসব হয়তো ভুলিয়ে দেওয়া হবে।
কিন্তু হিন্দু বাঙালির প্রধান সঙ্কটটা বোধহয় অন্য জায়গায়। এই প্রসঙ্গে প্রাচীন ভারতের ইতিহাস, বিশেষ করে ধর্মের সামাজিক ইতিহাসের বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক কুণাল চক্রবর্তীর একটি প্রবন্ধের কথা মনে করতে পারি। কুণাল লিখেছিলেন, বৌদ্ধ, খ্রিস্ট বা ইসলাম ধর্মের মতো হিন্দু ধর্মের কোনও প্রাতিষ্ঠানিক 'অভিভাবক' না থাকায় হিন্দুরা চিরকালই বেশ কিছুটা স্বাধীনতা ভোগ করেছে। সঙ্ঘ-পরিবার তথা হিন্দুত্ববাদীরা সেই অভিভাবকদের স্থানটি দখল করতে প্রয়াসী। ফলে ব্যক্তি আলোচনার শুরুতে যে ভিডিও-র উল্লেখ করা হয়েছিল, তার সত্যতা জানা না থাকলেও, বিজেপি-শাসনে বাঙালি ব্যক্তি হিন্দুর ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক ধর্মাচরণের স্বাধীনতা ও পরিসর সঙ্কোচনের শঙ্কাটা প্রবলভাবেই সত্যি। তাই বঙ্গের বিজেপি-সরকার যতই স্বমহিমায় প্রকাশিত হচ্ছে, হিন্দু-বাঙালির ভয় ততই 'ইন' করছে। বিজেপি শাসনে হিন্দুই কী তাহলে সবচেয়ে বেশি 'খতরে মে হ্যায়'?

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ganashakti