Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Dhupguri Municipality                                                                                    ১৬টি থেকে ২০ হতে চলেছে ধূপগুড়ি পৌরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা, খসড়া প্রকাশ

Dhupguri Municipality ১৬টি থেকে ২০ হতে চলেছে ধূপগুড়ি পৌরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা, খসড়া প্রকাশ

দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ধূপগুড়ি পৌরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা বৃদ্ধির পথে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে ১৬টি ওয়ার্ডের পৌরসভা আগামী দিনে ২০টি ওয়ার্ডে উন্নীত হতে চলেছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিবের স্বাক্ষরিত নির্দেশিকা অনুযায়ী সম্প্রতি নতুন ওয়ার্ড বিন্যাসের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

বর্তমান পৌর এলাকার মধ্যেই ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস করে চারটি নতুন ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ধূপগুড়ি শহরের আয়তন প্রায় ১৫ বর্গ কিলোমিটার হলেও দীর্ঘদিন ধরে তুলনামূলক ভাবে ছোট আয়তনের ময়নাগুড়ি ও ফালাকাটা পৌরসভায় ওয়ার্ড সংখ্যা বেশি থাকায় ধূপগুড়ির বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। স্থানীয় স্তরে বহুদিন ধরেই ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের পাশাপাশি পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণের দাবি উঠেছিল। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পৌর বোর্ডের বৈঠকে মাগুরমারি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তিনটি এবং বারোঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের দুটি বুথ মিলিয়ে মোট পাঁচটি বুথ পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছিল।
তবে প্রকাশিত খসড়া তালিকায় সেই প্রস্তাবের কোনও প্রতিফলন দেখা যায়নি।অর্থাৎ আপাতত পৌরসভার ভৌগোলিক সীমানা অপরিবর্তিত থাকছে। বিদ্যমান পৌর এলাকার মধ্যেই বুথগুলির পুনর্বিন্যাস করে নতুন ওয়ার্ড গঠন করা হচ্ছে।
বর্তমানে ধূপগুড়ি পৌরসভায় ১৬টি ওয়ার্ডে মোট ৪০টি বুথ রয়েছে। এরমধ্যে আটটি ওয়ার্ডে দুটি করে এবং বাকি আটটি ওয়ার্ডে তিনটি করে বুথ রয়েছে।নতুন খসড়া অনুযায়ী, একই ৪০টি বুথকে পুনর্বিন্যাস করে ২০টি ওয়ার্ড গঠন করা হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে থাকবে দুটি করে বুথ। তবে পুনর্বিন্যাসের ফলে পৌর এলাকার প্রায় প্রতিটি এলাকার ওয়ার্ড নম্বর বদলে যাবে। শুধুমাত্র ২, ৩ এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোন কিছু বদল ঘটেছে না। ফলে ওয়ার্ড গুলির জনসংখ্যা ও প্রশাসনিক ভারসাম্য বজায় রাখার পাশাপাশি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রকাশিত খসড়া তালিকা নিয়ে আগামী ১৯ আগস্ট পর্যন্ত সাধারণ মানুষ আপত্তি ও প্রস্তাব জমা দিতে পারবেন। ২৭ আগস্টের মধ্যে সেই সমস্ত আপত্তির শুনানি ও নিষ্পত্তি হবে। এরপর আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত ওয়ার্ড বিন্যাসের তালিকা কমিশনের কাছে পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, ২০০২ সালে ধূপগুড়ি পৌরসভা গঠিত হয়। এখানে ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে সর্বশেষ পৌর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। নির্বাচিত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রথমে চার সদস্যের প্রশাসক মণ্ডলী পৌরসভার দায়িত্বে ছিল। পরে সেই প্রশাসক মণ্ডলী ভেঙে মহকুমাশাসকের হাতে প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।বর্তমানে মহকুমাশাসকই প্রশাসক হিসেবে পৌরসভার সমস্ত দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। নতুন ওয়ার্ড বিন্যাসের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে পৌর নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রেও তা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এবিষয়ে সিপিআই (এম) জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য তুষার বসু জানিয়েছেন,খসড়া চূড়ান্ত নয়।কোনো রাজনৈতিক দল প্রশাসনিক সহায়তা নিয়ে পক্ষপাতমূলক কাজ করার চেষ্টা করলে আমজনতাকে সঙ্গে নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ganashakti