অনুষ্কা ঘোষের বাড়িতে সুজন চক্রবর্তী সহ সিপিআই(এম) নেতৃবৃন্দ। আইএসসি-তে দেশের মধ্যে প্রথম বারাকপুরের অনুষ্কা ঘোষ। ২০২৬ সালের আইসিএসই (দশম শ্রেণি) এবং আইএসসি (দ্বাদশ শ্রেণি) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছে। এই বছর চার লক্ষেরও বেশি ছাত্রছাত্রী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। আইএসসি(দ্বাদশ শ্রেণি)তে সারা দেশের মধ্যে প্রথম অনুস্কা ঘোষ অকপটে গনশক্তির প্রতিনিধি কে বলেন, আমি বামপন্থীদের আদর্শকে সমর্থন করি।
বারাকপুর হরিসভা এলাকায় অনুষ্কা সোদপুর সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলে ছোট থেকেই পড়াশোনা করা অনুষ্কা বলেন, ''প্রতিটি ক্লাসে প্রথম থেকে তৃতীয়র মধ্যে থেকেছি। আইসিএসসি ক্লাশ টেন এর পরীক্ষায় ৫০০'র মধ্যে ৪৯৮ পেয়েছিলাম। দুই নম্বর কম ছিল। তখন খুব কষ্ট পেয়েছি। কিন্তু আমি প্রথম হয়েছিলাম। আমি ঠিক করেছিলাম আইএসসি বারো ক্লাশের পরীক্ষায় পুরো নম্বর পেতে হবে। সেইভাবেই তৈরি হয়েছি। আমার আশা পূর্ণ হয়েছে। এখানেও পাঁচশোতে পাঁচশো পেয়েছি। কিন্তু বেষ্ট অব ফোর হিসাবে চারশো তে চারশো ধরেছে। আমি ভীষন খুশী। আমার বাবা ও মা ভীষণ খুশি হয়েছে।''
অনুষ্কা বলেছে, আমি ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই। আমি ষ্পেস নিয়ে রিসার্চ করতে চাই। সেই সুত্রে এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং করতে চাই। বারাকপুর শহরের অনুষ্কা বাংলা তথা দেশের গর্ব। বারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআই(এম) প্রার্থী অধ্যাপক সুমন রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় ও পার্টি নেতা তমাল চক্রবর্তী বৃহস্পতিবার অনুষ্কার বাড়িতে যান। তাকে সংবর্ধনা দেয়। শুক্রবার সকালে অনুষ্কা ঘোষের বাড়িতে সুজন চক্রবর্তী। সঙ্গে ছিলেন পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআই(এম) প্রার্থী কলতান দাশগুপ্ত, এসএফআই সর্বভারতীয় সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য, গার্গী চ্যাটার্জী। নেতৃবৃন্দ অনুষ্কার সঙ্গে কথা বলেন। তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। এছাড়াও অনুষ্কার মা এবং বাবার সঙ্গেও কথা বলেন। নেতৃবৃন্দ বলেন অনুষ্কার পড়াশোনা ক্ষেত্রে সব রকমের সহযোগিতা ছাড়াও ওর পাশে আমরা সবাই মিলে থাকবো। ও আরও এগিয়ে যাক জীবনে প্রতিষ্ঠিত হোক এটা আমরা চাই। বাম পন্থায় বিশ্বাসী অনুস্কা ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। তার কথায় দেশের মানুষের জন্য যদি রাজনিতি তে নামতে হয়, তাহলে রাজনীতি করবো। সুজন চক্রবর্তী জানান,আগে অনুস্কা নিজে তৈরি হোক। তারপর দেশ গড়ার কাজে অংশগ্রহণ করবে। আমাদের বিশ্বাস দেশের মধ্যে একজন সেরা ব্যক্তিত্ব হবে অনুষ্কা।

