Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
ভবানীপুরের ভোট মামলা: নথি না মেলায় পিছল শুনানি, হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে রিপোর্ট চাইলেন বিচারপতি

ভবানীপুরের ভোট মামলা: নথি না মেলায় পিছল শুনানি, হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে রিপোর্ট চাইলেন বিচারপতি

বানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে পিছিয়ে গেল। নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরেও মামলার একাধিক প্রয়োজনীয় নথিপত্র হাতে না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত। এই গাফিলতির কারণ জানতে কলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছ থেকে দ্রুত রিপোর্ট তলব করেছে আদালত।

আদালত সূত্রে খবর, মঙ্গলবার শুনানির শুরুতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা নথির অনুলিপি না পাওয়ায় তাঁরা মামলাটি নিয়ে এগোতে পারছেন না। অন্যদিকে, এই কেন্দ্রের বিজয়ী বিধায়ক তথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে তাঁর আইনজীবী জয়দীপ কর লিখিত জবাব পেশ করার জন্য চার সপ্তাহের সময়সীমা প্রার্থনা করেন।

ডিজিটাল বা লিখিত জবাবের জন্য সময় চাওয়ার বিরোধিতা করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচনী মামলার নিষ্পত্তি হতে কেন বছরের পর বছর সময় লেগে যাবে? তিনি বলেন, "কলকাতা হাইকোর্টে কি নির্বাচনী মামলা পাঁচ বছরেও মেটে না, এটাই কি অলিখিত নিয়ম হয়ে দাঁড়াচ্ছে?"

তবে শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী জয়দীপ কর আদালতে জানান, ইভিএম (EVM), ভিভিপ্যাট (VVPAT) এবং সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ সহ যাবতীয় সংবেদনশীল তথ্য ও নথি আগের আদালতের নির্দেশ মাফিক ইতিমধ্যেই কড়া নিরাপত্তায় সংরক্ষণ করা হয়েছে। ফলে বিচার প্রক্রিয়ায় অহেতুক দেরি হওয়ার কোনো কারণ নেই।

উভয় পক্ষের সওয়াল-জবাব পর্যালোচনা করার পর বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত নির্দেশ দেন:

পাশাপাশি, ভবানীপুর কেন্দ্রেরই অন্য এক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এই মামলায় পক্ষভুক্ত হওয়ার আবেদন জানিয়ে রেজিস্ট্রার জেনারেলকে চিঠি পাঠিয়েছেন। সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য নিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।

উল্লেখ্য, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরেই নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উক্ত নির্বাচনে তিনি ১৫,১১৪ ভোটে পরাজিত হন। ইতিপূর্বেই আদালতের নির্দেশে ভবানীপুরের সমস্ত ইভিএম, ভিভিপ্যাট ও ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

-অঙ্কিতা পাল

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Headlines Kolkata