ভোট শেষ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু রাজনৈতিক লড়াই এবার পৌঁছে গেছে ইভিএম রাখার ঘর বা 'স্ট্রংরুম'-এর দরজায়। বৃহস্পতিবার রাত থেকে উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার দুই গণনাকেন্দ্র নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র উত্তেজনা। একদিকে তৃণমূলের পাহারা ও বিক্ষোভ, অন্যদিকে বিজেপির পাল্টা জমায়েত- সব মিলিয়ে উত্তপ্ত বাংলা।
বৃহস্পতিবার রাত থেকে উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার দুই গণনাকেন্দ্র নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র উত্তেজনা। স্ট্রংরুমে কারচুপির অভিযোগ তুলে শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রীর এই পদক্ষেপকে ঘিরেই শুক্রবার সকালে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
দিলীপের দাবি, 'যতদিন ওদের ক্ষমতা ছিল আমরা কমপ্লেন করতাম।এখন হয়ে গেছে উল্টো। যারা কমজোর থাকে তারা সব বিষয়ে কমপ্লেন করে। তাই নাটক শুরু হয়েছে।ইলেকশনএর আগে এস আই আর নিয়ে প্রবলেম ছিলো, নির্বাচন কমিশন নিয়ে প্রবলেম হলো এখন স্ট্রংরুম হছে! সেন্ট্রাল ফোর্স কেন অ্যাকটিভ হবে! পুলিশ কেন একটিভ হবে! এসব স্ট্রংরুমের রাজনীতি।এগুলো হচ্ছে হেরে যাওয়া মানসিকতা।ঠেলায় পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে। ওরা এখন অনেক জায়গায় উঠবে।'
সব শেষে বলা যায়, ভোটের লড়াই শুধু ব্যালট বাক্স পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নেই বরং তা ছড়িয়ে পড়েছে স্ট্রংরুমের দরজায়ও।এখন দেখার, এই বিতর্ক শেষ পর্যন্ত ঠিক কতটা প্রভাব ফেলে বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণে।
-তিশা ভাদুড়ি

