কয়েক মাস আগেই ভারতে এসেছিলেন খলিলুর রহমান। তবে তখন তিনি ছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। আর আজ ফের তিনি দিল্লিতে পা রাখছেন। তবে এবার তিনি তারেক রহমানের সরকারের বিদেশমন্ত্রী। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের শীতলতা দূর হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে।
তার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ ভারত থেকে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ। আর এবার খলিলুরের ভারত সফরের আবহে দুই দেশের সম্পর্ক আরও কিছুটা ইতিবাচক গ্রাফে এগোবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, খলিলুর ভারতে আসছেন ৭ থেকে ৯ এপ্রিলের সফরে। এদিকে দিল্লি সফরে খলিলুরের সঙ্গী থাকছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। এই সফরকালে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সহ সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের সঙ্গে খলিলুরের বৈঠক হওয়ার কথা বলে জানা গিয়েছে। ভারতে আসার আগে খলিলুর এই সফর নিয়ে বলেন, 'আমরা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, মর্যাদা ও স্বার্থের ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে একটি স্বাভাবিক সম্পর্ক চাই।'
জানা গিয়েছে, জয়শঙ্কর ছাড়াও ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ও পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা খলিলুরের। ইউনুস জমানায় ভারত-বাংলাদেশে বাণিজ্যিক সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। তবে তারেকের অধীনে বাংলাদেশ ফের ভারতের সঙ্গে স্বাভাবিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। বর্তমানে ভারত দিয়ে তৃতীয় দেশে পণ্য রফতানি করতে পারছে না বাংলাদেশ। এদিকে স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের বেশ কিছু পণ্য ভারতে রফতানি করে পারছে না বাংলাদেশ। এই সব নিয়ে বেশ চাপে আছে বাংলাদেশ। এরই সঙ্গে বর্তমানে বিশ্ব জুড়ে যে তেলের সংকট দেখা দিয়েছে, সেই পরিস্থিতিতে ভারতের কাছ থেকে সাহায্য চায় বাংলাদেশ। এই আবহে খলিলুরের এই সাক্ষাৎ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের জন্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। এছাড়া বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের সব ধরনের ভিসা চালুর বিষয়টি নিয়েও আলোচনা করতে পারেন খলিলুর।

