BDO Shanu Bakshi Latest Update: মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের বিডিও শানু বক্সিকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশি পাচারকারীদের যোগাযোগ রয়েছে এবং রাষ্ট্রবিরোধী কিছু ব্যক্তির সঙ্গে যোগসাজশ করে বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন তিনি। এই অভিযোগ সামনে এনে মালদহ জেলা বিজেপি নেতৃত্ব মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ জানাতে চলেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
জেলা বিজেপি সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে শানু বক্সি মোটা টাকা আত্মসাৎ করেছেন এবং অবৈধভাবে জমি ও সম্পত্তি সংগ্রহ করেছেন। পাশাপাশি কীভাবে নম্বর বাড়িয়ে তিনি বিডিও পদে নিযুক্ত হলেন, তা নিয়েও তদন্তের দাবি তুলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। স্থানীয় থানাতেও অভিযোগ দায়ের করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
এর আগেও শানু বক্সির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববির দাবি, ফলতার তথাকথিত 'বাহুবলি' জাহাঙ্গির খানের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। এমনকি শানু বক্সি ও জাহাঙ্গির খানের কথোপকথনের কিছু স্ক্রিনশট প্রকাশ করে বিজেপির দাবি, জাহাঙ্গিরের মদতেই ফলতার বিডিও হয়েছিলেন শানু। এই আবহে ফলতায় বিভিন্ন দুর্নীতির সঙ্গে শানু যুক্ত থাকতে পারেন বলে অভিযোগ করেছেন ২০২৪ সালের ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস ববি। ২০২৪ সালে এই ফলতাতেই এই ফলতায় ১ লক্ষ ২৪ হাজার ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস।
ববির অভিযোগ, জাহাঙ্গির খানের প্রভাবেই শানু বক্সিকে ফলতার বিডিও করা হয়েছিল এবং সেই সময় নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে। তিনি দাবি করেন, লোকসভা ভোটের সময় প্রিসাইডিং অফিসারদের প্রভাবিত করা থেকে শুরু করে ইভিএমে সেলোটেপ লাগানোর মতো ঘটনাও ঘটেছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের দাবিও তুলেছেন তিনি।
তবে এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শানু বক্সি। জাহাঙ্গির খানের সঙ্গে কথোপকথনের যে স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়েছে, তা সম্পূর্ণ এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি বলে দাবি তাঁর। যদিও নতুন করে ওঠা বাংলাদেশি পাচারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

