Entally Murder Case: খাস কলকাতায় এক যুবককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহতের নাম তাপস নস্কর। অভিযোগ, মঙ্গলবার রাতে এন্টালির পাড়ার মধ্যেই তাঁকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। যদিও এই ঘটনার পিছনে কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই বলেই দাবি পুলিশের। কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দ জানিয়েছেন, দু'টি 'গ্যাংয়ের' প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণেই খুন হয়েছে।
ইতিমধ্যে এই ঘটনায় যুক্ত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো ঘটনা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে এন্টালিতে পাড়ার মধ্যেই ওই যুবককে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। অভিযোগ, সেখানে গুলিও চলেছে। পুলিশের একটি সূত্র বলছে, নিহতের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ দু'টি 'গ্যাংয়ের' সংঘর্ষের কথাই উল্লেখ করেছে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা বলেন, 'এন্টালিতে একটা খুন হয়েছে। তার সঙ্গে রাজনৈতিক যোগ নেই। গ্যাংয়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা।' সিপি আরও বলেন, 'এক জনকে আটক করা হয়েছে। পাঁচ ছ'জনের নাম পাওয়া গিয়েছে। তাঁরা নিহতের বন্ধুবান্ধব ছিলেন।' অনুসন্ধান করা হচ্ছে। অজয় নন্দা জানান, নির্মাণের ব্যবসা নিয়ে ঝামেলা ছিল। এক ব্যক্তি অনেক দিন বাইরে ছিলেন, তিনি এলাকায় প্রবেশ করেন। তারপরে এ রকম ঘটনা হয়েছে। সিপির আশ্বাস, যাঁরা ঘটনায় জড়িত, তাঁদের সকলকে গ্রেফতার করা হবে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকায় বিভিন্ন প্রমোটিং সংক্রান্ত কাজ করতেন তাপস। শুধু তাই নয়, বেশ কিছু অবৈধ কাজকর্মের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, তাপসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় থানায়। নির্বাচনের আগে তাঁকে সতর্কও করা হয়। এমনকী ভোটের আগে তাপসকে নজরবন্দিও করে রাখা হয়েছিল। কিন্তু তার মধ্যেই এলাকা ছেড়ে চম্পট দিয়েছিলেন তিনি। ভোট মিটতেই ফের এন্টালিতে ফেরেন তাপস। এরপরেই মঙ্গলবার রাতে একেবারে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে এন্টালির চৌধুরী লেনে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় মানুষজন। সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা পুলিশের ১০০ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানান স্থানীয়রা। পুলিশ এসে দ্রুত তাপসকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, তাপসের শরীরে একাধিক আঘাত রয়েছে। ইতিমধ্যে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। রিপোর্ট আসলেই পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে দাবি। এদিকে, ঘটনার পরেই বেশ কয়েকজনের নামে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নিহতের স্ত্রী।

