Anindita Chatterjee on husband Hiran Chatterjee: বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে মাসখানেক আগেই জড়িয়েছেন বিতর্কে। প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স না দিয়েই, অভিনেতা-রাজনীতিবিদ দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তাও আবার বেনারসে গিয়ে। এরপর থেকেই স্বামীর নামে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়।
এবার যেমন হিরণের দ্বিতীয় স্ত্রীকে 'রক্ষিতা' বলে পোস্ট আসল তাঁর ফেসবুকে।
বৃহস্পতিবার অনিন্দিতা লেখেন, 'রক্ষিতার নাম উল্লেখ করেছে কি? ভারতীয় সংবিধান কি সেটা করতে বলবে?' এই পোস্টে কোথাও হিরণ বা তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ঋতিকা গিরি-র নাম উল্লেখ না থাকলেও, বুঝতে কোনো সমস্যা হয়নি। এখানেই থেমে থাকেননি অনিন্দিতা, 'রক্ষিতা' কথার অর্থ গুগল থেকে বের করে, তা কমেন্টে পোস্টও করেছেন।
খড়গপুরের বিদায়ী বিধায়ককে অবশ্য এত বিতর্কের মধ্যেও ভোটের টিকিট দিয়েছে বিজেপি। উলুবেড়িয়ার ভূমিপুত্র হিরণকে তাঁর নিজের জেলা থেকে সরিয়ে, হাওড়ার শ্যামপুর থেকে টিকিট দেওয়া হয়েছে। এখন দেখার এত বিতর্কের মাঝেও হিরণের পরিচিতি ও গ্ল্যামার তাঁকে ভোটে জিততে সাহায্য করে কি না! এমনকী, বিজেপি প্রার্থী তালিকা পেশ করার পরেও মুখ খুলেছিলেন অনিন্দিতা। মিডিয়ার তরফে ফোন গেলে জবাব আসে, 'নমিনেশনে স্ত্রীর জায়গায় কার নাম থাকে, আমি সেটা দেখার অপেক্ষায়'।
বারাণসীর ঘাটে মডেল ঋতিকা গিরির সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন হিরণ। ২০০০ সালের ১১ ডিসেম্বর হিরণের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন অনিন্দিতা। তাঁদের রয়েছে একটি মেয়েও। যাঁর এখন বয়স ১৯। দুজনে সেপারেশনে আছেন, এমন রটনা ছিল। তবে ডিভোর্স ফাইনাল হয়নি বলেই দাবি অনিন্দিতার। এরপর আচমকাই জানুয়ারি মাসে বিয়ের ছবি শেয়ার করেন ইনস্টাগ্রামে। মডেল ঋতিকা গিরির সঙ্গে হিন্দুমতে সারেন বিয়ে। এরপরই তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি আর নেট দুনিয়া।
এরপর অনিন্দিতা সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, 'মেয়ে ও আমার উপর খুব অত্য়াচার হয়েছে।কাউকে এটা বলিনি, কারণ মেয়েরও একটা কেরিয়ার রয়েছে। সেটা নষ্ট করতে চাইনি। এখন আর বলার কিছু নেই। সবাই তো সব কিছু দেখতেই পাচ্ছে। বলার কোনও ভাষা নেই। কতটা অভদ্র একটা লোক হতে পারে।' এরপর হিরণের নামে পুলিশে অভিযোগও করেন অনিন্দিতা। আপাতত সেই মামলা আদাতে বিচারাধীন। অবশ্য মামলা রুজু হওয়ার পরই, হিরণ হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন। তিনি এই ব্যাপারে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও, ঋতিকা গিরি হামেশাই তাঁর 'বর' ও 'দাম্পত্য' নিয়ে পোস্ট করে থাকেন।

