Raja Goswami comment on Chirasakha serial: গতকাল অর্থাৎ ৭ এপ্রিল টেকনিশিয়ান স্টুডিওয় একটি বৈঠক ডাকা হয়েছিল যেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ম্যাজিক মোমেন্টস প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে আপাতত কেউ কাজ করবে না। রাহুলের মৃত্যু তদন্ত যতদিন চলবে এবং যতদিন না ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে ততদিন এই প্রযোজনা সংস্থাকে ব্যান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রযোজনা সংস্থা ম্যাজিক মোমেন্টস ব্যান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় 'চিরসখা' ধারাবাহিকটি। যদিও এর আগেই চ্যানেলের তরফ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল 'ভোলে বাবা পার কারেগা' ধারাবাহিকের তৃতীয় পর্বটি। এবার এই প্রযোজনা সংস্থার অধীনে থাকার দরুণ বন্ধ হয়ে গেল 'চিরসখা'।
'চিরসখা' ধারাবাহিকটি বন্ধ হওয়ার খবর পেতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজা। সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ত্রী মধুবনী গোস্বামীকে নিয়ে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন তিনি। রাজার কথায়, একটা ধারাবাহিক বন্ধ হয়ে যাওয়া আর বন্ধ করে দেওয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে। এইভাবে হঠাৎ করে একটা সিরিয়াল বন্ধ করে দেওয়া মানে সকলে একসঙ্গে বেকার হয়ে যাওয়া, যেটা উচিত নয় বলেই মনে করেন তিনি।
রাজা বলেন, 'কাল ধারাবাহিকের একজন সিনিয়র টেকনিশিয়ানের সঙ্গে আমার কথা হয়। উনি ফোন করে আমাকে বলেন, আমার সুইসাইড করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। কথাটা শুনে আমার ঘুম হয়নি। শুধু উনি নন, এই ধারাবাহিকের সঙ্গে যুক্ত আরও অনেকে আছেন যাদের সমস্যার মধ্যে পড়তে হল সিরিয়াল বন্ধ হয়ে যাওয়ায়।'
রাজা আরও বলেন, 'ব্যক্তিগতভাবে হয়তো আমার কোনও অসুবিধা হবে না। আমি ধারাবাহিক থেকে যে টাকা পাই, সেটা আমার একমাত্র ইনকাম নয়। তাই বাড়িতে বসে থাকলে অসুবিধা হবে না আমার। এতদিন মধুবনী কাজ করছে না তাতে কোনও অসুবিধা হচ্ছে না আমাদের। কিন্তু তা বলে আর্টিস্টদের যে খুব দারুণ অবস্থা সেটাও কিন্তু নয়। তবে টেকনিশিয়ানদের আরও খারাপ অবস্থা।'
ভিডিয়োর মাধ্যমে রাজা একটাই বার্তা দেন, রাহুলের বিচার তিনি চান। দোষীরা শাস্তি পাক এটাও তিনি চান কিন্তু এইভাবে হঠাৎ করে একটা সিরিয়াল বন্ধ করে দেওয়া কি ঠিক হল, তা নিয়ে তিনি বারবার বিবেচনা করতে অনুরোধ করেন সকলকে।
শুধু 'চিরসখা' ধারাবাহিক নয়, জি বাংলার 'কনে দেখা আলো' ধারাবাহিকটির ভবিষ্যৎ নিয়েও কিন্তু অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যেহেতু এই ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, তাই এই ধারাবাহিকটিও বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা দর্শকদের।

