Dailyhunt
Solanki-Soham: ঘুম জড়ানো চোখে মিষ্টি হাসি! সোহমের জন্মদিনে আদুরে ডাক শোলাঙ্কির, আলগা হল গোপনীয়তা?

Solanki-Soham: ঘুম জড়ানো চোখে মিষ্টি হাসি! সোহমের জন্মদিনে আদুরে ডাক শোলাঙ্কির, আলগা হল গোপনীয়তা?

তিনি প্রেম সম্পর্কে আছেন, তবে সেই সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে চান না। স্পষ্ট জানিয়েছেন শোলাঙ্কি রায়। বছর দুয়েক আগে নিজের ডিভোর্সের কথাটাও জানিয়েছিলেন নায়িকা। তারপর থেকে অভিনেতা সোহম মজুমদারের সঙ্গে তাঁর প্রেমের চর্চা আরও জোরালো হয়েছে।

টলিপাড়ায় শোকের আবহ, এর মাঝেই শনিবার ছিল সোহম মজুমদারের জন্মদিন।

চর্চিত প্রেমিকের জন্মদিনে আদুরে শুভেচ্ছা বার্তা গাঁটছড়া নায়িকার। চর্চিত প্রেমিক সোহম মজুমদারের জন্মদিনে শোলাঙ্কি রায়ের সেই আদুরে পোস্ট ঘিরে ফের শুরু হল গুঞ্জন। তবে কি সম্পর্কের লুকোছাপা সরিয়ে এবার সরাসরি সিলমোহর দিলেন অভিনেত্রী?

আদুরে ডাক আর লাল হৃদয়ের ইমোজি

সোহমের জন্মদিনে তাঁর একটি হাসিমুখের ছবি পোস্ট করেছেন শোলাঙ্কি। ঘুম জড়ানো চোখে মিষ্টি হাসি, কফির কাপে চুমুক দিচ্ছেন নায়ক। অভিনেত্রী ক্যাপশনে লিখেছেন, 'হ্যাপি বার্থ ডে হোমি' (Homie)। সাধারণত, খুব কাছের মানুষকেই এই নামে ডাকেন কেউ। এর সঙ্গে সঙ্গে একটি লাল হৃদয়ের ইমোজি। সোহমও পাল্টা জবাবে ফিরিয়ে দিয়েছেন সেই হৃদয়ের ছোঁয়া। এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর বার্তাই বলে দিচ্ছে, তাঁদের রসায়ন ঠিক কতটা জমাটি। শোলাঙ্কির দেওয়া 'হোমি' ডাকটি এখন নেটিজেনদের চর্চার কেন্দ্রবিন্দু।

তিন বছরের লুকোছাপা কি শেষ?

সোহম ও শোলাঙ্কির প্রেমচর্চা কিন্তু আজকের নয়, প্রায় তিন বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রির অলিতে-গলিতে এই নিয়ে ফিসফাস। যদিও দুজনেই বরাবরই একে অপরকে 'খুব ভালো বন্ধু' হিসেবেই পরিচয় দিয়ে এসেছেন। কিন্তু কখনও আরব সাগর পার একসঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, আবার কখনও বিশেষ দিনে এমন আদুরে শুভেচ্ছা- সবটাই যেন ইশারায় বুঝিয়ে দিচ্ছে 'বন্ধুত্বের চেয়েও বেশি' কিছু।

একদিকে শোক, অন্যদিকে নতুন শুরু

রাহুলের চলে যাওয়া এবং অগ্নিদেবের হাসপাতালে ভর্তির খবরে যখন চারদিকে নেতিবাচকতার ভিড়, তখন শোলাঙ্কি-সোহমের এই সহজ স্বীকারোক্তি ভক্তদের মনে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। অনুরাগীদের মতে, শোকের আবহেই যেন বেঁচে থাকার রসদ খুঁজে পাওয়া। অন্তত এই বিশেষ দিনে আর কোনো রাখঢাক রাখতে চাইলেন না শোলাঙ্কি।

শোলাঙ্কি রায় ও ডিভোর্স পর্ব:

একটা সময় ভালোবেসে বন্ধু শাক্যর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন নায়িকা। কিন্তু হঠাৎ করেই তাঁদের মধ্যে আসে বিচ্ছেদ। সেই বিচ্ছেদের কারণ প্রসঙ্গে এই একই সাক্ষাৎকারে কথা বলেছিলেন শোলাঙ্কি। তিনি বলেছিলেন, 'আমাদের সমস্যাটা হয়েছিল মূলত দূরত্ব নিয়ে। আমরা দু'জন দুটো আলাদা টাইম জোনে থাকতাম। তারপর আমার কাজের যা সময় ছিল, সেটার পর আর আমাদের আর সে ভাবে কথা হত না। আমার যখন কাজ শেষ হত ও তখন ঘুম থেকে উঠত, আর অফিসের জন্য বেরিয়ে যেত। হ্যাঁ, আমাদের বিয়ে হয়েছিল ঠিকই। কিন্তু আমরা বৈবাহিক জীবনযাপন করতাম না। তারপর একটা সময় আমরা একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিলাম যে, এই বিষয়টা খুব খারাপ দিকে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে এবার কেউ না কেউ বিদ্রোহ ঘোষণা করবেই। তাছাড়াও আসতে আসতে বুঝতে পেরেছিলাম যে ওঁর পক্ষে সব ছেড়ে এখানে এসে থাকা সম্ভব নয়। আর আমার পক্ষেও সম্ভব হয়নি। আমি চেষ্টা অবশ্যই করেছিলাম, প্রথম ছ'মাস কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। তাই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলাম। কিন্তু মুশকিলটা হচ্ছে ডিভোর্স আমাদের দেশে এখনও একটা ট্যাবু। আর অনেকেই মনে করেন ডিভোর্স মানেই হয় মেয়েটি ঠকাচ্ছে বা ছেলেটি।'

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: HindustanTimes Bengali