নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মতো, ডায়মন্ড হারবার এবং মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের ১৫টি বুথে শনিবার সম্পন্ন হয়েছে পুনর্নির্বাচন। এদিকে, প্রথম দফার ভোটপর্ব শান্তিপূর্ণ হলেও, দ্বিতীয় দফার ভোট ঘিরে নানান চাঞ্চল্যকর খবর উঠে আসে। কমিশনের নির্দেশে ১৫ বুথে ফের ভোটগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, প্রথম দফার ভোটে, ভোটদানের হার পার করেছিল ৯০ এর ঘর। পরে দ্বিতীয় দফার ভোটেও বাংলা ৯০ পারের রেকর্ড ধরে রাখে। প্রশ্ন হল, এই ১৫ বুথের পুনরায় নির্বাচনে ভোটদানের হার আজ কত ছিল, তা নিয়ে!
কমিশনের তরফে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার যে দুই বিধানসভা কেন্দ্রের ১৫টি বুথে ভোটগ্রহণ বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৮৬.৯ শতাংশ। ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে ভোট পড়েছিল ৮৭.৬ শতাংশ এবং মগরাহাটের ১১টি বুথের ভোটদানের হার ৮৬.১১ শতাংশ। এদিকে, সন্ধ্যা গড়াতেই জানা গিয়েছে, এওই ১৫ বুথের পুনরায় নির্বাচনে মোট ভোটদানের হার ৯০ শতাংশের অঙ্ক ছুঁয়ে ফেলেছে। এর আগে, এই ১৫ বুথে দুপুর ৩ টে পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৭২.৪৩ শতাংশ।
প্রসঙ্গত, রবিবারের পরই সোমবার রয়েছে ৪ মে, ২০২৬ সালে ভোটের ফলাফল। সেদিনকে নজরে রেখে, কর্মীদের একাধিক নির্দেশ দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন এক ভার্চুয়াল বৈঠক থেকে সাফ জানিয়েছেন, সকাল ৬টার মধ্যে যেন কাউন্টিং এজেন্টরা যেন গণনাকেন্দ্রে পৌঁছে যেন এবং তাঁরা যাতে সংঘবদ্ধ ভাবে যান, সেটা নিশ্চিত করতে বলেছেন মমতা। গণনাকেন্দ্র যদি শহর থেকে দূরে গ্রামাঞ্চলে বা তুলনামূলক দূরবর্তী স্থানে হয়, তাহলে ভোট গণনার আগের রাতেই সোনে যেন প্রার্থী, তাঁর এজেন্ট বা কাউন্টিং এজেন্ট যেন পৌঁছে যান। এমনই তথ্য তুলে ধরেছে আনন্দবাজার ডট কম-র রিপোর্ট।
এদিকে, ভোটের আগে, ইভিএম পাহারা দিতে বসছে বিজেপিও। রবিবার সকাল থেকে রাজ্যের সব স্ট্রংরুমের সামনে অবস্থানে বসছেন বিজেপির মহিলা কর্মীরা। দ্বিতীয় দফার ভোটের পর স্ট্রংরুম নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযোগ নিয়ে শাসক, বিরোধী দুই দলের সংঘাত দেখা যায়। তারই মাঝে এবার ৪ মে, ২০২৬এ প্রকাশ্যে আসবে জনাদেশ।

