Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
(আপডেট) হিমাচলে পঞ্চায়েত নির্বাচনের শেষ দফায় বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোট ৪১ শতাংশ, এগিয়ে সিরমৌর

(আপডেট) হিমাচলে পঞ্চায়েত নির্বাচনের শেষ দফায় বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোট ৪১ শতাংশ, এগিয়ে সিরমৌর

শিমলা, ৩০ মে (হি.স.) : হিমাচল প্রদেশে পঞ্চায়েত নির্বাচনের তৃতীয় ও শেষ দফার ভোটগ্রহণ শনিবার ১,১৮৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতে চলছে। পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও ভোটারদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর সকাল ৯টা পর্যন্ত প্রায় ২০ শতাংশ ভোট পড়ে।

পরে ভোটের গতি বাড়তে থাকায় বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৪১ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। রাজ্যের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে মহিলা, যুবক-যুবতী ও প্রবীণ ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।

শিমলা, সোলান, কুল্লু-সহ একাধিক জেলায় সকাল থেকে মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির মধ্যেও ভোটাররা ছাতা নিয়ে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছন। নির্বাচন কমিশনের দাবি, কোথাও কোনও বড় অপ্রীতিকর ঘটনার খবর মেলেনি এবং শান্তিপূর্ণভাবেই ভোটগ্রহণ চলছে।

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বেলা ১১টা পর্যন্ত সর্বাধিক ৪৯.২৮ শতাংশ ভোট পড়েছে সিরমৌর জেলায়। এরপর কিন্নৌরে ৪৩.৮৯ শতাংশ, হামিরপুরে ৪২.৯৯ শতাংশ, শিমলায় ৪২.৯১ শতাংশ, উনায় ৪২.৫৪ শতাংশ, সোলানে ৪২.২৪ শতাংশ, লাহুল-স্পিতিতে ৪১.৭৭ শতাংশ, কুল্লুতে ৪১.০২ শতাংশ, বিলাসপুরে ৩৮.৯৪ শতাংশ, কাংড়ায় ৩৮.৭০ শতাংশ, মান্ডিতে ৩৮.৬৮ শতাংশ এবং চাম্বায় সর্বনিম্ন ৩৮.০৩ শতাংশ ভোট রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিন প্রবীণ ভোটারদের উপস্থিতিও বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। শিমলা জেলার কোটী-০২ লাইলাঁ গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ১০৩ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। একই পঞ্চায়েতের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৯৫ বছর বয়সী জোবন দাসও ভোট দেন।

অন্যদিকে, শিমলা জেলার খড়াহণ গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০১ বছর বয়সী পদম দাস পরিবারের চার প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে আসেন। তাঁর সঙ্গে ভোট দেন ৭৬ বছর বয়সী কেবল রাম, ৪৭ বছর বয়সী মহেন্দ্র সিং এবং ২৪ বছর বয়সী দীপক মেহতা। একই পরিবারের চার প্রজন্মের একসঙ্গে ভোটদান গ্রামীণ গণতন্ত্রের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

হিমাচল প্রদেশে তিন দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শনিবার শেষ দফার ভোটগ্রহণ বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলবে। এরপর প্রধান, উপপ্রধান ও ওয়ার্ড সদস্যদের ফল ঘোষণা করা হবে। পঞ্চায়েত সমিতি (বিডিসি) ও জেলা পরিষদের ফলাফল প্রকাশ করা হবে রবিবার।

এই পর্ব শেষ হলে রাজ্যের ৩,৭৫৪টি গ্রাম পঞ্চায়েতে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে এবং আগামী পাঁচ বছরের জন্য নতুন পঞ্চায়েত নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে।

প্রথম দফায় প্রায় ৭৯ শতাংশ এবং দ্বিতীয় দফায় প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছিল। নির্বাচন কমিশনের আশা, শেষ দফাতেও ভোটদানের হার উল্লেখযোগ্য হবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Hindusthan Samachar Bangla