Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
এক দশকে ভারতের শ্রমবাজারে মৌলিক ও যুগান্তকারী পরিবর্তনের দাবি শমীকের

এক দশকে ভারতের শ্রমবাজারে মৌলিক ও যুগান্তকারী পরিবর্তনের দাবি শমীকের

কলকাতা, ৫ আগস্ট(হি.স.): "কর্মসংস্থান নিয়ে রাজনৈতিক সমালোচনা কোনো নতুন বিষয় নয়। কিন্তু গণতন্ত্রে মতামতের চেয়ে তথ্যের গুরুত্ব বেশি। আর সেই তথ্যই বলছে, গত এক দশকে ভারতের শ্রমবাজারে এক মৌলিক ও যুগান্তকারী পরিবর্তন ঘটেছে।" বুধবার রাতে এক্সবার্তায় এই দাবি করলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

তিনি লিখেছেন, "RBI KLEMS ডেটাবেস অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত সময়কালে দেশে প্রায় ১৭.১ কোটি অতিরিক্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। তুলনায় তার আগের দশ বছরে এই সংখ্যা ছিল মাত্র প্রায় ২.৯ কোটি। অর্থাৎ কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতিই শুধু বাড়েনি তা এক নতুন মাত্রাও অর্জন করেছে।

অন্যদিকে ২০২৫ সালে যেখানে বিশ্বব্যাপী বেকারত্বের গড় ৪.৮ শতাংশ সেখানে ভারতে বেকারত্বের হার প্রায় ৩.১ শতাংশ। যুবসমাজের কর্মসংস্থান এবং শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হারও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে কর্মসংস্থান নিয়ে যে নেতিবাচক রাজনৈতিক বয়ান দীর্ঘদিন ধরে তৈরি করার চেষ্টা হয়েছে, বাস্তব পরিসংখ্যান তার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এই পরিবর্তন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; এটি সুপরিকল্পিত নীতিনির্ভর অর্থনৈতিক সংস্কারের ফল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক ইন ইন্ডিয়া, স্টার্টআপ ইন্ডিয়া, প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা, প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) স্কিম, প্রধানমন্ত্রী রোজগার সৃজন কর্মসূচি (PMEGP), বিশ্বকর্মা যোজনা এবং পরিকাঠামো খাতে নজিরবিহীন বিনিয়োগ-ইত্যাদি একাধিক সহায়তামূলক প্রকল্প উৎপাদনশীল শিল্প, পরিষেবা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

উদ্যোক্তা সৃষ্টি, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিল্পায়নের এই সমন্বিত মডেলই কর্মসংস্থান বৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি।

শুধু কর্মসংস্থান নয়, সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রেও ভারত এক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ২০১৫ সালে যেখানে মাত্র ১৯ শতাংশ মানুষ অন্তত একটি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় ছিলেন, বর্তমানে সেই হার ৬৮ শতাংশেরও বেশি। অর্থাৎ উন্নয়নের সুফল এখন কেবল শহর বা বড় শিল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; তা সমাজের প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছেও পৌঁছে যাচ্ছে।

কর্মসংস্থানের গুণগত মান, উচ্চ আয়ের চাকরি এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা নিয়ে আরও কাজ করার সুযোগ অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু সামগ্রিক চিত্রটি মূল্যায়ন করতে হলে শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, তথ্য ও পরিসংখ্যানকেই ভিত্তি করতে হবে।

'বিকশিত ভারত ২০৪৭'-এর লক্ষ্য কেবল একটি রাজনৈতিক স্লোগান নয়,এটি কর্মসংস্থান, উৎপাদন, দক্ষতা, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং সামাজিক সুরক্ষাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় উন্নয়নের রূপরেখা।

গত এক দশকের তথ্য বলছে, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সুযোগ্য নেতৃত্বে সেই লক্ষ্যের পথে ভারত দৃঢ় পদক্ষেপে ও দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে চলেছে।"

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Hindusthan Samachar Bangla