Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
সরকারি হাসপাতালে রোগীদের খাবারের খরচ বৃদ্ধিতে বাধা সরলো, স্থগিতাদেশ তুলল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ

সরকারি হাসপাতালে রোগীদের খাবারের খরচ বৃদ্ধিতে বাধা সরলো, স্থগিতাদেশ তুলল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ

কলকাতা, ৪ আগস্ট (হি. স.) : সরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের খাবারের জন্য বরাদ্দ টাকা বাড়ানোর ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কলকাতা হাইকোর্ট থেকে বড় স্বস্তি পেয়েছে। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গেল বেঞ্চের স্থগিতাদেশ রদ করে দিয়েছে। এর ফলে ১ আগস্ট থেকে ঘোষিত নতুন খাবারের দর কার্যকর করার পথ পরিষ্কার হয়ে গেল।

বিচারপতি শম্পা সরকার এবং বিচারপতি অজয় গুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার মামলার শুনানি গ্রহণ করেন। শুনানি চলাকালীন আদালত সিঙ্গেল বেঞ্চের সেই নির্দেশকে খারিজ করে দেয়, যেখানে রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল। আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন সরকারি হাসপাতালে রোগীদের খাবারের ওপর বর্ধিত অর্থ কার্যকর করার ক্ষেত্রে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।

রোগীদের আরও ভালো মানের খাবার দেওয়ার উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকার প্রতি রোগী পিছু খাবারের খরচ ৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১২ টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি ২৩ জুলাই জারি করা হয় এবং তা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর করার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল।

তবে, সরকারের টেন্ডার প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একটি সংস্থা কলকাতা হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করে। আবেদনকারীর যুক্তি ছিল, প্রতি রোগী পিছু খাবারের খরচ নির্ধারণের বিষয়টি আগেই আদালতে বিচারাধীন রয়েছে, এই অবস্থায় নতুন দাম কীভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব? এর ওপর সিঙ্গেল বেঞ্চের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেন, যা থেকে আইনি জটিলতা তৈরি হয়।

এরপর রাজ্য সরকার সিঙ্গেল বেঞ্চের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়। মঙ্গলবার শুনানির সময় বিচারপতি শম্পা সরকার মন্তব্য করেন, মূল্যসূচক বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু প্রতিটি নতুন সিদ্ধান্তে যদি এভাবে স্থগিতাদেশ জারি হতে থাকে, তবে রাজ্য সরকার কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না।

শুনানির শেষে ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গেল বেঞ্চের দেওয়া স্থগিতাদেশ রদ করে দেয়। আদালতের এই রায়ের পর সরকারি হাসপাতালে রোগীদের খাবারের বর্ধিত মূল্য কার্যকর করার পথ পুরোপুরি প্রশস্ত হয়ে গেল।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Hindusthan Samachar Bangla