ওয়েব ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের আবহে অভিবাসন আইন (Immigration Law) আরও কঠোর করল আর্জেন্টিনা (Argentina)। প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই জরুরি বিত্তিতে এমন একটি সিদ্ধান্তে সই করেছেন। এর ফলে আর্জেন্টিনা বা সে দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈষম্যমূলক প্রচারের অভিযোগ উঠলে বিদেশিদের দেশে প্রবেশে বাধা দেওয়া, ভিসা বাতিল করা বা বহিষ্কার করার ক্ষমতা পাবে প্রশাসন।
সরকারের দাবি, বিশ্বকাপ ফাইনালের পর থেকে আর্জেন্টিনা (Argentina) ও আর্জেন্টিনাবাসীদের লক্ষ্য করে বিভিন্ন মাধ্যমে বিদ্বেষমূলক প্রচার বেড়েছে। প্রেসিডেন্টের দফতরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের মর্যাদা, নাগরিক এবং জাতীয় প্রতীকের সুরক্ষা সরকারের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তবে সংবিধান স্বীকৃত রাজনৈতিক, শিক্ষাগত বা নাগরিক সমালোচনা এই আইনের আওতায় পড়বে না বলেও স্পষ্ট করেছে প্রশাসন।
আরও খবর : অজিত আগরকরের উত্তরসূরি হচ্ছেন অশ্বিন? জল্পনার মাঝেই সামনে এল বিসিসিআইয়ের নিয়ম
ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর রেফারিং নিয়ে বিতর্ক, মাঠে দুই দলের ফুটবলারদের সংঘর্ষ এবং সমর্থকদের আচরণ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। পরে আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গ, বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ ও সমর্থকদের আচরণ নিয়ে তদন্তও শুরু করে ফিফা (FIFA)। এই ঘটনার পরই সরকার অভিবাসন আইনে পরিবর্তনের পথে হাঁটে।
তবে নতুন এই আইনের বিরোধিতা শুরু করেছে বিরোধী দল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলি। তাদের দাবি, “ঘৃণামূলক বক্তব্য” কীভাবে নির্ধারণ করা হবে, তা স্পষ্ট নয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় করা পোস্ট বা মন্তব্যও এই আইনের আওতায় পড়বে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সরকারের দাবি, এই আইন শুধুমাত্র আর্জেন্টিনাবিরোধী বিদ্বেষমূলক প্রচার রুখতেই আনা হয়েছে।
The post বিশ্বকাপ বিতর্কের পর কড়া অভিবাসন আইন আর্জেন্টিনার, দেশবিদ্বেষ ছড়ালেই প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা first appeared on KolkataTV.

