সারাদিনের ক্লান্তি শেষে কিংবা সকালের শুরুতে একটু ভগবানের সান্নিধ্য মনে পজিটিভ এনার্জি ফিরিয়ে আনে। কিন্তু জানেন কি, আপনার শখের ঠাকুরঘরটি যদি বাস্তু মেনে সাজানো না হয়, তবে সেই পজিটিভ এনার্জির বদলে অশুভ শক্তি বাসা বাঁধতে পারে ঘরে? বাস্তুবিদদের মতে, ঠাকুরঘর অগোছালো বা ভুল নিয়মে থাকলে হিতে বিপরীত হতে পারে।
এমনকি দেবতারা রুষ্ট হয়ে আশীর্বাদের বদলে অমঙ্গল বয়ে আনতে পারেন। আপনিও কি নিজের ইষ্টদেবতার স্থানটি নতুন করে সাজানোর কথা ভাবছেন? তবে এই নিয়মগুলো একবার ঝালিয়ে নিন। বাস্তুশাস্ত্রে দিক নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঠাকুরঘরের জন্য সবচেয়ে আদর্শ জায়গা হল বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণ। যদি আপনার ফ্ল্যাট বা বাড়িতে তা সম্ভব না হয়, তবে চেষ্টা করুন যে ঘরে ঠাকুর রাখছেন সেই ঘরের উত্তর-পূর্ব অংশটি বেছে নিতে। বিকল্প হিসেবে পূর্ব বা উত্তর দিকও মন্দ নয়। তবে ভুলেও বাড়ির দক্ষিণ দিকে ঠাকুর রাখবেন না। অনেকেই জায়গার অভাবে সিঁড়ির নীচের ফাঁকা অংশে ঠাকুরঘর করেন, বাস্তু মতে যা ঘোর অমঙ্গলজনক।
You can share this post!

