জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জি
যেকোনো বইমেলার অন্যতম সেরা আকর্ষণ হলো কাব্য-সাহিত্যের আসর। প্রবীণ -নবীন কবি-সাহিত্যিকের উপস্থিতিতে সেই আসর জমজমাট হয়ে ওঠে।নবীন কবি-সাহিত্যিকরা পান প্রবীণদের সুপরামর্শ।কাব্য পিপাসু দর্শক মুগ্ধ হয় স্বরচিত কবিতা পাঠ শুনে। কলকাতা বইমেলাতেও এর কোনো ব্যতিক্রম ঘটেনি।
গতকাল(৯/২) ছিল ৪৪-তম কলকাতা বইমেলার শেষ দিন। এইদিন মেঘদূত সাহিত্য পত্রিকা ও যুথিকা সাহিত্য পত্রিকার যৌথ উদ্যোগে বিশ্ববঙ্গ বাংলা সাহিত্য একাডেমি 'পদাতিক' কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় মুক্ত মঞ্চে একটি কবিতা পাঠের আসরের অায়োজন করে।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববঙ্গ বাংলা সাহিত্য একাডেমির চেয়ারম্যান কবি সোমানাথ নাগ, ভাইস চেয়ারম্যান কবি-সাহিত্যিক দেবপ্রসাদ বসু,সাধারণ সম্পাদক কবি-সাহিত্যিক সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায় এবং বিশিষ্ট কবি-সাহিত্যিক ও সাংবাদিক বরুণ চক্রবর্তী।
এই অনুষ্ঠানে মেঘদূত সাহিত্য পত্রিকার বইমেলা সংখ্যার মোড়ক উন্মোচিত হয়।এছাড়া বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য একাডেমির পক্ষ থেকে এই দিন উপস্থিত কবিদের শংসাপত্র প্রদান করা হয়।
সঞ্জয় বাবু বললেন - কলকাতা বইমেলা মানেই একটা আন্তর্জাতিক গন্ধ মেশানো থাকে।সেখানে বিখ্যাত কবির নামাঙ্কিত মঞ্চে কবিতা পাঠের আসরের আয়োজন করার সুযোগ পাওয়া যথেষ্ট সৌভাগ্যের ব্যাপার। এই সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা করেন যেসব নবীন কবি আজকের আসরে যোগদান করেছিলেন আগামীদিনে তারা বাংলার কাব্য জগতকে এক নতুন মাত্রা এনে দেবে।

