Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
১ জুলাই থেকে ১২৫ দিনের কাজ শুরু, গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন আশার আলো।

১ জুলাই থেকে ১২৫ দিনের কাজ শুরু, গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন আশার আলো।

মনসারস 2 weeks ago

শ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- গ্রামীণ এলাকার কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে এমজিএনআরইজিএ (মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন) প্রকল্পে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। পূর্বের ১০০ দিনের পরিবর্তে এবার ১২৫ দিন পর্যন্ত কাজের সুযোগ মিলছে। ১ জুলাই থেকে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই প্রকল্পের আওতায় কাজ শুরু হয়েছে।

এর ফলে জেলার হাজার হাজার জব কার্ডধারী শ্রমিক অতিরিক্ত ২৫ দিনের কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবার জেলা কালেক্টরেট অফিসে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে এই প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত জানান জেলা শাসক বীজিন কৃষ্ণা।
জেলার বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করা হচ্ছে। কোথাও নতুন পুকুর খনন, কোথাও পুরনো পুকুর সংস্কার, কোথাও ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কার, কোথাও নিচু জমি ভরাট, গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার, জমি সমতলিকরণ-সহ একাধিক জনস্বার্থমূলক কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। এই কাজগুলির মাধ্যমে যেমন গ্রামের পরিকাঠামোর উন্নতি হবে, তেমনই গ্রামীণ শ্রমিকদের হাতে অতিরিক্ত কর্মসংস্থানও তৈরি হবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিদ্যমান জব কার্ডধারীদের তথ্য হালনাগাদ করা হচ্ছে এবং ১২৫ দিনের কাজের সুবিধা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রায় চার হাজার ভুয়ো বা অযোগ্য জব কার্ড চিহ্নিত করে বাতিল করা হয়েছে। প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।
উল্লেখ্য, রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে এমজিএনআরইজিএ প্রকল্পের কাজ কার্যত বন্ধ ছিল। সেই সময় রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র সরকারের মধ্যে আর্থিক ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে প্রকল্পের কাজ এবং অর্থ বরাদ্দ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্যে বিজেপি সরকার থাকায় সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকল্পটি পুনরায় চালু হয়েছে । ১ জুলাই থেকে ১২৫ দিনের কাজ শুরু হওয়ায় গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং বহু পরিবারের আয়ের সুযোগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
গ্রামীণ শ্রমিকদের মতে, অতিরিক্ত ২৫ দিনের কাজ তাদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা আরও কিছুটা বাড়াবে। বর্ষাকাল এবং কৃষিকাজের ফাঁকে এই প্রকল্পের কাজ তাদের নিয়মিত আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: MonSarosh