Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
৭২ ঘণ্টার কাউন্টডাউন! আমেরিকা-ইরান শান্তি চুক্তির দ্বারপ্রান্তে, ঘোষণা করতে পারেন ট্রাম্প

৭২ ঘণ্টার কাউন্টডাউন! আমেরিকা-ইরান শান্তি চুক্তির দ্বারপ্রান্তে, ঘোষণা করতে পারেন ট্রাম্প

শ্চিম এশিয়ার রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। দীর্ঘ টানাপোড়েন, সামরিক উত্তেজনা এবং কূটনৈতিক অচলাবস্থার পর আমেরিকা ও ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে বলে একাধিক আন্তর্জাতিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই এই সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে বড় ঘোষণা আসতে পারে বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন, ইরান নিয়ে 'চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত' নেওয়ার জন্য হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। তাঁর দাবি, দুই দেশের মধ্যে একটি খসড়া সমঝোতা তৈরি হয়েছে, যদিও এখনও সব বিষয়ে চূড়ান্ত ঐকমত্য হয়নি।

এই সম্ভাব্য চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল হরমুজ প্রণালীতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল পুনরুদ্ধার। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ ঘিরে গত কয়েক মাসে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। খসড়া সমঝোতা অনুযায়ী, ইরান বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার দিকে এগোতে পারে এবং আমেরিকাও নৌ অবরোধ শিথিল বা প্রত্যাহারের বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রের দাবি, এটি কোনও একক চুক্তি নয়। প্রথম ধাপে একটি বিস্তৃত মেমোরান্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং (MoU) স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই চুক্তির ভিত্তিতে পরবর্তী ৬০ দিন ধরে আরও বিস্তারিত ও কঠোর আলোচনা চলবে। ওই আলোচনার ফলাফলের উপর নির্ভর করবে ভবিষ্যতে এটি পূর্ণাঙ্গ ও আইনত বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তিতে পরিণত হবে কি না।

তবে সব বাধা এখনও কাটেনি। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ভাণ্ডারের ভবিষ্যৎ এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো একাধিক স্পর্শকাতর ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য রয়ে গিয়েছে। তেহরানও এখনও প্রকাশ্যে কোনও চূড়ান্ত চুক্তির কথা স্বীকার করেনি। বরং ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আলোচনা চললেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনও সমঝোতা বাকি রয়েছে।

আন্তর্জাতিক মহলেও এই সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আলোচনায় একাধিক আঞ্চলিক শক্তি মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেছে। এমনকি চুক্তির প্রাথমিক পর্যায়ে পাকিস্তান সাক্ষী দেশের ভূমিকায় থাকতে পারে বলেও কিছু সূত্রের দাবি।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই সমঝোতা বাস্তবায়িত হয়, তাহলে শুধু আমেরিকা ও ইরানের সম্পর্কেই নয়, গোটা পশ্চিম এশিয়ার ভূরাজনৈতিক সমীকরণেও বড় পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে তেলবাজার, আন্তর্জাতিক নৌপথ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতিকে সতর্ক আশাবাদের চোখেই দেখছেন কূটনৈতিক মহল।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Najarbandi