Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
আরজি কর মামলায় বিপাকে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ-অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে থানায় FIR

আরজি কর মামলায় বিপাকে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ-অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে থানায় FIR

বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নতুন বিতর্ক। আরজি কর হাসপাতালের ঘটনায় নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে কলকাতার চারু মার্কেট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

অভিযোগকারী আইনজীবী শায়ন সচিন বসুর দাবি, ২০২৪ সালের ১৫ অগস্ট সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার নির্যাতিতার নাম উল্লেখ করেছিলেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, যৌন নির্যাতনের শিকার ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং সেই কারণেই পুলিশের কাছে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছে।

আরজি কর হাসপাতালের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে যখন তীব্র প্রতিবাদ আন্দোলন চলছিল, সেই সময় বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি, শিল্পী এবং সাধারণ মানুষ সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছিলেন। সেই আবহেই একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করেছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভিডিওটিতে মহিলাদের নিরাপত্তা, সমাজের দায়বদ্ধতা এবং নির্যাতিতার বিচার চেয়ে আবেগঘন বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঘটনাটির উল্লেখ করেন এবং সেই সময় নির্যাতিতার পরিচয়ও প্রকাশ্যে চলে আসে বলে অভিযোগ।

অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং আইন অনুযায়ী নির্যাতিতার পরিচয় গোপন রাখা বাধ্যতামূলক। তাই ভিডিওর বিষয়বস্তু খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় তদন্ত হওয়া উচিত।

তবে অভিযোগ দায়ের হলেও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

প্রসঙ্গত, আরজি কর হাসপাতালের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত কয়েক মাসে রাজ্য রাজনীতি, প্রশাসন এবং সমাজজীবনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। সেই আবহে নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ সংক্রান্ত অভিযোগ নতুন করে আইনি ও জনস্বার্থের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

এখন দেখার, চারু মার্কেট থানার তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে কোনও আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয় কি না। কারণ, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গোপনীয়তা রক্ষার আইনি বাধ্যবাধকতা নিয়ে ফের নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Najarbandi